মালদা, ৮ সেপ্টেম্বর (হি.স): বাড়ি বানানোর জন্য তোলা না দেওয়ায় তৃণমূল সমর্থিত এক মহিলাকে বিবস্ত্র করে মারধোর
করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সিপিএম আশ্রিত দুই দুস্কৃতি সহ তার দলবলের বিরুদ্ধে| ৱুধবার ঘটনাটি ঘটেছে হরিশচন্দনপুর থানার মশালদহ গ্রাম পঞ্চায়েতের খেজুরবাড়ি গ্রামে| প্রথমে তাকে হরিশচন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে ভরতি পরানো হয়| কিন্তু পরে আহত মহিলা অনিতা দাসকে (৪০) বৃহস্পতিবার সকালে মালদা মেডিকেল কলেজে ভরতি কারন পরিবারের লোকেরা| তার দুই হাতে এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় বাঁশ, লাঠি দিয়ে মারধোর করেছে অভিযুক্তরা| এই ঘটনায় আক্রান্ত মহিলা হবিবপুর থানায় এক মহিলা সহ তিনজনের বিরুদ্ধে হরিশচন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন| বৃহস্পতিবার সকালে আহত অনিতা দাসকে হরিশচন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে মেডিকেল কলেজে ভরতি করানো পর তিনি বলেন, আমার স্বামী নেই| ছোট চার ছেলেমেয়েকে নিয়ে রয়েছি| মিড ডে মিলের রান্না করার পাশাপাশি আর কিছু কাজ করে সংসার চালায়| কাজের কিছু সঞ্চয় করা টাকা দিয়ে কাঁচা বাড়ি ভেঙে পাকা করছিলাম| আর তাতেই প্রতিবেশী অমল দাস এবং সুবোধ দাস ও তার দলবল বাড়ি তৈরিতে বাধা দেয়| ওরা আমার কাছে ৫০ হাজার টাকার দাবী করে| সেই টাকা না দেওয়ার কারনেই আমাকে বিবস্ত্র করে মারধোর করেছে| ঘটনার সময় গ্রামবাসীরা এসে আমার প্রাণ রক্ষা করেছেন| পরে আমাকে হাসপাতালে ভরতির ব্যবস্থা করেন| আহত মহিলা অনিতা দাসের আরও অভিযোগ, হামলাকারীরা সিপিএম দল করে| আর আমি তৃণমূলকে সমর্থন করি| গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের দলের হয়ে মিটিং, মিছিলে যাওয়ার কারণেও ওরা আমার পরিবারের ওপর এভাবে অত্যাচার চালাচ্ছিল| পুরো ঘটনার পুলিশকে জানিয়েছি| যদিও এব্যাপারে সিপিএমের জেলা সম্পাদক অম্বর মিত্র জানিয়েছেন, এরকম কোনও ঘটনার কথা জানা নেই| কি হয়েছে তাও বলতে পারব না| তৃণমূলের কংগ্রেসের জেলা সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন জানিয়েছেন, দলীয় এক সমর্থককে মারধোর করার শুনেছি| এই ধরনের ঘটনাকে কখনই সমর্থন করা যায় না| পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখুক| হরিশচন্দ্রপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, এক মহিলার ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে| হামলাকারীরা ওই মহিলার দূর সম্পর্কের আত্মীয় বলে জানা গিয়েছে| অভিযুক্তদের খোঁজ চালানো হচ্ছে|


















