ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগনীতি নিয়ে সমস্যা 

আগরতলা, ২৭ ডিসেম্বর :  চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে সিনিয়র,ও জুনিয়রের কোন সমস্যা নেই।তবে ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের স্বজনপোষণ ও বাড়বাড়ন্তের জন্য অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর ও অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর নিয়োগে সিনিয়র এবং জুনিয়রের সমস্যা হচ্ছে।

কারণ নিয়োগ প্রক্রিয়ার নীতিমালা অনুযায়ী যেহেতু একটি বিজ্ঞাপন দিয়ে অ্যাসিটেন্ট প্রফেসর পদে প্রায় ৪৮ জন এবং অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর পদে প্রায় ৪৮ জনকে নিয়োগ করা হবে। তাই ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া শেষ হলে সকলকে একসাথে অফার বিলি করা হবে। কিন্তু এ পথে যাচ্ছে না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।ফলে আবারও বিষয়টি আদালতে যাচ্ছে।যদিও সম্প্রতি ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত অধ্যাপক, অধ্যাপিকারা এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার ত্রুটির বিষয়ে উপাচার্যের সাথে দু-বার সাক্ষাৎও করেছেন। তবে কোন পদক্ষেপ হয়নি। উল্টো আবারও সংরক্ষণ নীতি মানা হচ্ছে না। 

অভিযোগ এই কারণে উপজাতি সংরক্ষিত আসন কমে দিয়েছে।এমনকী ইউআর পোস্ট ওবিসি হয়ে গিয়েছে।এসটি আসন কমে গিয়েছে।এসসি পোস্ট বাতিল হয়েছে।এসটি,এসসি,ওবিসি ওয়েলফেয়ার দপ্তরের অনুমতি পর্যন্ত নেওয়া হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ে সূত্রে খবর ২০০৭ সালের আগে ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগে উপজাতি সংরক্ষণ ছিল ৩২ শতাংশ আর ২০০৭ সালে তা হয়ে যায় ৭.৫ শতাংশ কিন্তু ২০০৭ সালের আগের ওই ৩২ শতাংশ উপজাতি সংরক্ষিত পদগুলির ব্যাকলগ বর্তমান নিয়োগে নেই। 

যার ফলে উপজাতি সংরক্ষিত পদ গায়েব। অভিযোগ এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজ্যের যুবক-যুবতীদের মেধা থাকা সত্ত্বেও বহিঃরাজ্যের বেকারদের চাকরি প্রদানে মেলা চলছে ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ে।ফলে রাজ্যের বেকারদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।