BRAKING NEWS

বিধানসভা নির্বাচন : ত্রিপুরায় অন্তিম দিনে মনোনয়ন জমা পড়ল ২২৮টি, সর্বমোট ৩০৫টি

আগরতলা, ৩০ জানুয়ারি (হি.স): ত্রিপুরায় মনোনয়ন জমা দেওয়ার আজ ছিল অন্তিম দিন। আজ একদিনে ২২৮টি মনোনয়ন জমা পড়েছে, তা সর্বকালের রেকর্ড বলে ত্রিপুরার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দাবি করেছেন। আজ সন্ধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, সমস্ত রাজনৈতিক দলের সহযোগিতায় এই কাজ সম্ভব হয়েছে। সর্বত্র সুশৃঙ্খলভাবে প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।

এদিন তিনি বলেন, ত্রিপুরায় সমস্ত রাজনৈতিক দল এবং নির্দল প্রার্থীরা নির্বিঘ্নে মনোনয়ন জমা দিতে পারেন তার জন্য ৬০টি রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে সমস্ত ব্যবস্থা করা হয়েছিল। গত ৩/৪ দিন ধরে তার প্রস্তুতি চলছিল। আজ সমস্ত প্রার্থীরা নির্বিঘ্নে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন, দাবি করেন তিনি।

তাঁর দাবি, সারা রাজ্যে প্রার্থীদের বাধা দেওয়া, আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি সংক্রান্ত অভিযোগ মিলেনি। ফলে, দুপুর তিনটে পর্যন্ত যতজন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিতে এসেছেন তাঁদের মনোনয়ন পত্র গ্রহণ করা হয়েছে। তাঁর কথায়, ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ত্রিপুরায় ৭৭ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। আজ একদিনে ২২৮ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তাঁর দাবি, ইতিপূর্বে একদিনে এত সংখ্যক মনোনয়ন কখনোই জমা পড়েনি।

তাঁর বক্তব্য, সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা আজ সুশৃংখলভাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তাঁদের জন্য আলাদা সময় এবং পৃথক রুটের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেই মতো প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এদিন তিনি জানান, এবার সর্বমোট ৩০৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। আগামীকাল মনোনয়ন পত্র পরীক্ষা করে দেখা হবে। ২ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন প্রত্যাহারের অন্তিম দিন। এরপরই প্রার্থীদের চিত্র পরিষ্কার হয়ে যাবে। তাঁর কথায়, ২০১৮ সালে বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।এদিকে, মনোনয়ন পত্র পরীক্ষা পর্ব পর্যবেক্ষণে ২৫ জন অবজারভার গতকালই ত্রিপুরায় এসে পড়েছেন। তাঁরা নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা মেনে মনোনয়ন পত্র পরীক্ষা হচ্ছে, তা নিশ্চিত করবেন। এছাড়া, ৮ জন পুলিশ অবজারভার এবং ৩ জন স্পেশাল অবজারভার ত্রিপুরায় এসেছেন। তাঁরা নির্বাচনী কাজ পর্যবেক্ষণ করছেন। ত্রিপুরার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দাবি, মনোনয়ন জমা দিয়েছেন সকল প্রার্থীদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষী প্রদান করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *