নিজস্ব প্রতিনিধি, তেলিয়ামুড়া, ৬ জুলাই৷৷ বর্তমান করোনা পরিস্থিতি সময় কালে টিউশন বাণিজ্য চালিয়ে শিক্ষকরা তাদের মর্যাদা হারাচ্ছে৷ দিন দিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে৷ শিক্ষকদের টিউশন বাণিজ্যের মধ্য দিয়ে করোনা সংক্রমণের হার বাড়ছে নিত্যদিন, মৃত্যুর মিছিল ও অব্যাহত৷
এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে এক শিক্ষক বাবু উনার টিউশন বাণিজ্যকে ক্রমান্বয়ে সাথে পাল্লা দিয়ে তীব্র থেকে তীব্রতর করে তুলছে৷ অথচ উনি আবার তেলিয়ামুড়ার তুইসিন্দ্রাই বাড়ি দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে চাকুরী করেন৷ ওই গুণধর শিক্ষকের নাম নন্দ লাল চৌধুরী৷ ছাএ মহলে পরিচিত নন্দু স্যার৷উনি গত কয়েকদিন ধরে জ্বর সংক্রমণে ভুগছিলেন তেলিয়ামুড়ার গৌরাঙ্গ টিলা স্থিত নিজ বাড়িতেই৷ এই জ্বর সংক্রমণ নিয়েই সরকারি সুকলের শিক্ষক নন্দ লাল চৌধুরী নিজ বাড়িতেই টিউশন বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে৷
রাজ্য শিক্ষা দপ্তরের বিধি নিষেধ গুলিকে বগলদাবা করে ওই শিক্ষকের টিউশন বাণিজ্য৷ টিউশন বাণিজ্যের কক্ষের ফটকে তালা ঝুলিয়ে সাধারণ মানুষকে বুঝাতে চাইছেন টিউশন বাণিজ্যে তিনি লিপ্ত নন৷ অথচ বাস্তব চিত্র অন্যরকম৷ টিউশন বাণিজ্য নিয়ে ওই গুণধর শিক্ষককে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি সুবোধ বালকের মতো চুপটি করে নিজ কক্ষ থেকে বেরিয়ে রাস্তায় হাঁটতে থাকেন তা-ও আবার মাক্স বিহীন অবস্থায়৷
কিন্তু উনার টিউশন বাণিজ্যের কক্ষে গিয়ে প্রত্যক্ষ করা গেল ছাত্র-ছাত্রীরা যেমন মাক্স বিহীন অবস্থায়, তেমনি জ্বরে আক্রান্ত শিক্ষক নন্দ লাল চৌধুরী ও ছিলেন মাক্স বিহীন অবস্থায়৷তিনি জ্বরে আক্রান্ত হলেও করুণা পরীক্ষা করেননি৷ শিক্ষক বাবু ক্যামেরার সামনে কিছু না বললেও এলাকারই এক প্রমিলা তেড়ে-ফুঁড়ে আসেন শিক্ষকের পক্ষ নিয়ে৷
শক্ষক বাবুর পক্ষে সাফাই দিতে গিয়ে ওই প্রমিলা জানায়, শিক্ষক নন্দ লাল চৌধুরী অসুস্থ, জ্বরে আক্রান্ত তিনি৷ প্রশ্ণ থেকে যায় একজন শিক্ষক জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ও এবং শিক্ষা দপ্তরের টিউশন বাণিজ্যের গাইডলাইন কে বগলদাবা করে কিভাবে টিউশন বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন৷ বকলমে শিক্ষক বাবু আবার নবম ও দশম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রী এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের অর্থের বিনিময়ে পাঠ দান করেন৷



















