আইজল, ২৭ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): মিজোরামের চাম্পাই জেলায় প্রায় ১৭.৮৯ কোটি টাকা মূল্যের মাদক ও নিষিদ্ধ সামগ্রী উদ্ধার করেছে স্পিয়ার কোরের অধীন অসম রাইফেলস। অভিযানে তাদের সঙ্গে ছিল ডিরেক্টরেট অব রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স (ডিআরআই) এবং মিজোরাম পুলিশ। রবিবার আধিকারিকরা এ তথ্য জানিয়েছেন।
ভারতীয় সেনার এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, চাম্পাই থেকে ১,২৫,৬৮০ কেজি সুপারি এবং ২৫,৪৪০ কেজি পোস্তবীজ উদ্ধার করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ১৭.৮৯ কোটি টাকা। মায়ানমার থেকে অবৈধ মাদক পাচারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে চাম্পাই দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তা বাহিনীর নজরে রয়েছে।
চলতি মাসের শুরুতেও মিজোরাম ও মণিপুরে নিরাপত্তা বাহিনী মেথামফেটামিন ট্যাবলেট ও হেরোইন মিলিয়ে ৩.৬৮ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের মাদক উদ্ধার করে এবং পাঁচজন মাদক পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছিল বলে আধিকারিকরা জানান।
প্রতিরক্ষা দফতরের এক মুখপাত্র জানান, নিষিদ্ধ মাদক পাচারের বিষয়ে নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অসম রাইফেলস মিজোরাম পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে সাইতুয়াল জেলার মিমবুং-কাওলবেম-নগোপা এলাকার টি-জংশনে অভিযান চালায়। অভিযানে এক মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়। পরে তার কাছ থেকে প্রায় ১.৮৩ কোটি টাকা মূল্যের ২.২৮৫ কেজি মেথামফেটামিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তি এবং উদ্ধার হওয়া মাদক পরবর্তী তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপের জন্য এনডোপা থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। মাদকদ্রব্য ও মনঃপ্রভাবী পদার্থ আইন, ১৯৮৫ বা এনডিপিএস আইনের অধীনে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
অন্য একটি অভিযানে, সীমান্তবর্তী জোখাওথার এলাকার আয়রন গেটে মাদক পাচারের বিষয়ে নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অসম রাইফেলস ও মিজোরাম পুলিশ যৌথ অভিযান চালায়। সেখানে এক মাদক পাচারকারীকে আটক করে তল্লাশি চালিয়ে ২৮ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া হেরোইনের আনুমানিক মূল্য ৫.৬ লক্ষ টাকা বলে জানানো হয়েছে।
আটক ব্যক্তি ও উদ্ধার হওয়া মাদক পরবর্তী তদন্ত এবং আইনি প্রক্রিয়ার জন্য জোখাওথার থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এনডিপিএস আইনের অধীনে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
নিরাপত্তা বাহিনীর দাবি, এই অভিযানগুলি সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার রুখতে গোয়েন্দা-তথ্যভিত্তিক অভিযান, নজরদারি এবং বাহিনীর কার্যকর সমন্বয়ের বিষয়টি তুলে ধরেছে।
— আইএএনএস



















