News Flash

  • Home
  • দিনের খবর
  • নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থীর গ্রেফতারিতে সায়নী ঘোষের প্রতিক্রিয়া, তৃণমূল-কংগ্রেস জোটের আশা
Image

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থীর গ্রেফতারিতে সায়নী ঘোষের প্রতিক্রিয়া, তৃণমূল-কংগ্রেস জোটের আশা

নয়াদিল্লি, ১৯ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেফতারি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানালেন এনসিপিআই সাংসদ সায়নী ঘোষ। তিনি জানান, ওই নেতার বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে তিনি জানতেন। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেসের মধ্যে জোট হবে।

সায়নী ঘোষ বলেন, “কংগ্রেসের হয়ে যিনি প্রার্থী হয়েছেন, সেই নেতার বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে গতকাল পর্যন্ত আমি জানতাম। এখন এটা রাজনীতি। নির্বাচনের আগে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বা কী পদক্ষেপ করা হবে, সেটা দুই দলের বিষয়।”

তিনি আরও বলেন, এই বিষয়ে যে কেউ নির্বাচন কমিশন বা আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন। গণতন্ত্রে কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি—সব রাজনৈতিক দলেরই নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের স্বাধীনতা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তৃণমূল-কংগ্রেস জোটের প্রসঙ্গে সায়নী ঘোষ বলেন, “আমি আশা করি, রাহুলজির নেতৃত্বে কংগ্রেস তৃণমূলের সঙ্গে জোট করবে। এটা হলে বার্তা যাবে যে এই জোট প্রকৃত অর্থেই একটি জোট, শুধু কথার কথা নয়।”

শুক্রবার সন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় একটি পুরনো খুনের মামলায় কংগ্রেস মনোনীত নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের প্রার্থী মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গিয়েছে, ১৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনের একদিন আগে এই গ্রেফতারি হয়। পুলিশ সূত্রের দাবি, ওই খুনের মামলায় মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি হয়েছিল।

এর আগে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থীকে তৃণমূলের সমর্থনের কথা ঘোষণা করেছিলেন। তৃণমূলের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর পর এই সমর্থনের ঘোষণা করা হয়। এরপরই মিলন প্রধানের গ্রেফতারির সময় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্স-এ দেওয়া পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, এই ঘটনা বিজেপির “প্রতিহিংসার রাজনীতি”-র প্রতিফলন।

এদিকে কংগ্রেস ও তৃণমূলের সম্পর্ক নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজনৈতিক দল তৈরি হয় নিজেদের বিস্তারের জন্য। নির্বাচনে পরাজিত হলেই কোনও রাজনৈতিক দল বিলীন হয়ে যায় না।

তিনি বলেন, “কেউ কেন রাজনৈতিক দল তৈরি করেন? যাতে দলটি বৃদ্ধি পায়। আমরা কি নির্বাচনে হারি না? প্রতিটি নির্বাচনে সর্বত্র আমরা জিতি না। আমাদের দলও হারে।”

দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, কিছু ব্যক্তি এক রাজনৈতিক দল থেকে অন্য দলে চলে যেতে পারেন, কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে রাজনৈতিক দলটি অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলেছে। তাঁর মতে, কংগ্রেস এবং কংগ্রেসের রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে তৈরি হওয়া দলগুলির ক্ষেত্রেও এমন ঘটনা দেখা যায়।

(আইএএনএস)

Releated Posts

ডিম ছোড়ার অভিযোগে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশে নালিশ মহুয়া মৈত্রের

কলকাতা, ১৮ সেপ্টেম্বর(আইএএনএস): তেহট্টে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে তাঁর গাড়িবহর লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার অভিযোগে বিজেপির…

ByBySandeep Biswas Sep 18, 2026

ডিইউএসইউ ভোটে বেনিয়মের অভিযোগ, এনএসইউআইয়ের বিরুদ্ধে এবিভিপির বিক্ষোভ

নয়াদিল্লি, ১৮ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডিইউএসইউ) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালীন শুক্রবার বিক্ষোভ দেখাল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী…

ByBySandeep Biswas Sep 18, 2026

তৃণমূলের মমতা শিবিরের পাশে রাহুল, নাম-প্রতীক নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তে বিজেপিকে নিশানা

কলকাতা, ১৮ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীর পাশে দাঁড়িয়ে…

ByBySandeep Biswas Sep 18, 2026

বালাঘাটে ৩০-এর বেশি আদিবাসী শিশুর মৃত্যু নিয়ে সরব রাহুল গান্ধী, মধ্যপ্রদেশ সরকারের সমালোচনা

নয়াদিল্লি/ভোপাল, ১৭ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): মধ্যপ্রদেশের বালাঘাট জেলায় ৩০-এর বেশি আদিবাসী শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করলেন লোকসভার…

ByByNews Desk Sep 17, 2026

Leave a Reply

Scroll to Top