নয়াদিল্লি, ৬ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস) : আগামী ১২ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত ৫৭তম জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন সূচি অনুযায়ী, আগামী ৭ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। একই সময়ে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক নির্ধারিত থাকায় সূচির সংঘাত এড়াতে বৈঠক পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকের আগে সরকারি আধিকারিকদের প্রস্তুতিমূলক বৈঠক হবে ৫ ও ৬ অক্টোবর। প্রথম বৈঠক ৫ অক্টোবর বিকেল ৩টায় এবং দ্বিতীয় বৈঠক ৬ অক্টোবর সকাল ১১টা থেকে শুরু হওয়ার কথা। এরপর ৭ অক্টোবর কাউন্সিলের মূল বৈঠক হবে। নতুন তারিখ নিশ্চিত করে শীঘ্রই সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হতে পারে। বৈঠকের স্থান নয়াদিল্লিই থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
সূত্রের খবর, কাউন্সিলের সদস্যদের পাঠানো অফিস মেমোরেন্ডামেও প্রস্তুতিমূলক বৈঠকের নতুন সময়সূচির কথা জানানো হয়েছে।
অক্টোবরের বৈঠকে ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট (আইটিসি), কর ফেরত এবং জিএসটি কমপ্লায়েন্স সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে আইটিসি দাবি করার বিধিনিষেধ শিথিল করা এবং ‘ইনভার্টেড ডিউটি স্ট্রাকচার’-এর কারণে জমে থাকা কর ক্রেডিটের সমস্যা সমাধানের প্রস্তাবও আলোচনায় আসতে পারে।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে জিএসটি ২.০ সংস্কারের অংশ হিসেবে চারটি কর স্ল্যাব কমিয়ে তিনটি করার পর এটিই জিএসটি কাউন্সিলের প্রথম বৈঠক। সেই সংস্কারের আওতায় অধিকাংশ পণ্য ও পরিষেবাকে ৫ শতাংশ এবং ১৮ শতাংশের দুটি প্রধান কর স্ল্যাবে আনা হয়। পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু বিলাসবহুল ও ‘ডিমেরিট’ পণ্যের জন্য ৪০ শতাংশের বিশেষ করহার চালু করা হয়। এর ফলে ওই পণ্যগুলির ক্ষেত্রে আগের ২৮ শতাংশ জিএসটি এবং কমপেনসেশন সেসের কাঠামো বদলে যায়। নতুন করহার ২০২৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের নেতৃত্বে গঠিত জিএসটি কাউন্সিলে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অর্থমন্ত্রীরা সদস্য হিসেবে রয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি ত্রৈমাসিকে অন্তত একবার কাউন্সিলের বৈঠক হওয়ার কথা। তবে বিভিন্ন সময়ে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় বেশি ব্যবধানেও বৈঠক হয়েছে।


















