নয়াদিল্লি, ৪ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): মহাকাশ গবেষণায় ভারতের সক্ষমতা আরও এক ধাপ বাড়ল। ভূসমকালীন কক্ষপথ থেকে ভারতের প্রথম ইমেজিং স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সাফল্যে ইসরোকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। তাঁদের মতে, এই সাফল্য সমগ্র মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ক্রমবর্ধমান সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা শুক্রবার শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে জিএসএলভি-এফ১৭ রকেটের মাধ্যমে উন্নত আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট ইওএস-০৫ সফলভাবে উৎক্ষেপণ করে। তিন ধাপের উৎক্ষেপণযানটি পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করে এবং নির্ধারিত সাব-জিওসিঙ্ক্রোনাস ট্রান্সফার অরবিটে ইওএস-০৫-কে স্থাপন করে।
কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এই সাফল্যের জন্য ইসরোর বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়ারদের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, জিএসএলভি-এফ১৭ সফলভাবে দেশের প্রথম ইমেজিং স্যাটেলাইট ইওএস-০৫-কে ভূসমকালীন কক্ষপথে স্থাপন করেছে। এই সাফল্য ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞানীদের প্রতিভা, উদ্ভাবনী ক্ষমতা এবং ক্রমবর্ধমান দক্ষতার প্রমাণ।
গোয়েল আরও বলেন, ইসরো এবং ভারতীয় শিল্পক্ষেত্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা দেশের মহাকাশ কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী ও বৃহৎ পরিসরে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরিও ইসরোকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই সাফল্যের মাধ্যমে ভারতের মহাকাশ অভিযান আরও উচ্চতায় পৌঁছেছে। তাঁর মতে, ইওএস-০৫-এর মাধ্যমে দৃশ্যমান, ইনফ্রারেড, মাল্টি-স্পেকট্রাল এবং হাইপারস্পেকট্রাল ব্যান্ডে উন্নতমানের ছবি সংগ্রহের সক্ষমতা বাড়বে। ফলে দেশের পৃথিবী পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।
কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী (স্বাধীন দায়িত্ব) ড. জিতেন্দ্র সিং এই উৎক্ষেপণকে মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের আরও একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ইওএস-০৫ একটি অত্যাধুনিক আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট। ভূসমকালীন কক্ষপথ থেকে ভারতের প্রথম ইমেজিং স্যাটেলাইট হিসেবে এটি দৃশ্যমান, ইনফ্রারেড, মাল্টি-স্পেকট্রাল এবং হাইপারস্পেকট্রাল ব্যান্ডে উন্নত ইমেজিং সুবিধা দেবে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের বক্তব্যে উঠে এসেছে, এই সাফল্য মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিশ্বমানের সক্ষমতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভারতের ধারাবাহিক অগ্রগতির প্রতিফলন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশের মহাকাশ কর্মসূচি আরও উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে চলেছে বলেও তাঁরা উল্লেখ করেন।



















