News Flash

  • Home
  • উত্তর-পূর্বাঞ্চল
  • ১৯০৪-০৫ সালের ভূমি নথি কামাখ্যার চিরন্তন ঐতিহ্যের সাক্ষ্য: হিমন্ত বিশ্ব শর্মা
Image

১৯০৪-০৫ সালের ভূমি নথি কামাখ্যার চিরন্তন ঐতিহ্যের সাক্ষ্য: হিমন্ত বিশ্ব শর্মা

গুয়াহাটি, ২২ আগস্ট (আইএএনএস): ১৯০৪-০৫ সালের একটি ঐতিহাসিক ভূমি নথিকে মা কামাখ্যার চিরন্তন আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য হিসেবে বর্ণনা করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। শনিবার সামাজিক মাধ্যমে শতাব্দীপ্রাচীন ওই নথির বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এটি শুধুমাত্র পুরনো একটি ভূমি নথি নয়, বরং কামাখ্যা ধামের সঙ্গে যুক্ত গভীর বিশ্বাস, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রমাণ।

হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, “এই নথি শুধু একটি পুরনো ভূমি রেকর্ড নয়, বরং মা কামাখ্যার চিরন্তন শক্তি এবং সনাতন সভ্যতার জীবন্ত ঐতিহ্যের সাক্ষ্য।”

মুখ্যমন্ত্রীর মতে, ১৯০৪-০৫ সময়কালের সংরক্ষিত এই ঐতিহাসিক নথিতে কামাখ্যা মন্দিরকে ঘিরে শতাব্দীপ্রাচীন ধর্মীয় ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের প্রতিফলন রয়েছে। ভারতের অন্যতম শ্রদ্ধেয় শক্তিপীঠ কামাখ্যা ধামের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় কীভাবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গড়ে উঠেছে, সেই ধারাবাহিকতার গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক যোগসূত্র হিসেবেও নথিটির গুরুত্ব রয়েছে বলে তিনি জানান।

এই ধরনের ঐতিহাসিক নথি সংরক্ষণ এবং কামাখ্যা মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত ঐতিহ্যকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুরক্ষিত রাখার ওপর জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “শক্তিপীঠ মা কামাখ্যার এই অমূল্য ঐতিহ্য সংরক্ষণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া আমাদের সংকল্প।”

গুয়াহাটির নীলাচল পাহাড়ের উপরে অবস্থিত কামাখ্যা মন্দির হিন্দু শাক্ত সম্প্রদায়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি বিদেশ থেকেও প্রতি বছর অসংখ্য ভক্ত এই মন্দিরে আসেন। শক্তির উপাসনার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত কামাখ্যা মন্দির অসমের ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক পরিচয়ের ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

অসম সরকার রাজ্যের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, ধর্মীয় স্থান এবং ঐতিহাসিক পরম্পরা সংরক্ষণের ওপর যে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য তারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থানগুলির পরিকাঠামো ও উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গেও ঐতিহ্য সংরক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রীর পোস্টে পুরনো নথি ও আর্কাইভের গুরুত্বও তুলে ধরা হয়েছে। কয়েক দশক ধরে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা কীভাবে বজায় রয়েছে, তা নথিবদ্ধ করতে এই ধরনের ঐতিহাসিক দলিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

—আইএএনএস

Releated Posts

মণিপুরের অশান্তিকে কাজে লাগিয়ে মাদক কারবার বাড়াচ্ছে মিয়ানমারের কার্টেল, বাড়ছে উত্তর-পূর্বে বিপদ

নয়াদিল্লি, ৬ অক্টোবর (আইএএনএস): মাদক পাচারের বিরুদ্ধে ভারতীয় সংস্থাগুলির লড়াই অব্যাহত থাকলেও মিয়ানমার থেকে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে মাদক…

ByByNews Desk Oct 6, 2026

স্বাধীনতার পর প্রথমবার নদীপথে বাংলাদেশে গেল ডিব্রুগড়ের পণ্যবাহী জাহাজ

ডিব্রুগড় (অসম), ৫ অক্টোবর (আইএএনএস): স্বাধীনতার পর প্রথমবার অসমের উচ্চাঞ্চল ডিব্রুগড় থেকে নদীপথে বিদেশি বন্দরের উদ্দেশে পণ্যবাহী জাহাজ…

ByByNews Desk Oct 5, 2026

বিকাশের সঙ্গে ঐতিহ্যের মেলবন্ধন, আধুনিক স্থাপত্যে নতুন পরিচয় তুলে ধরছে অসম: হিমন্ত বিশ্বশর্মা

গুয়াহাটি, ৫ অক্টোবর (আইএএনএস): উন্নয়নের পাশাপাশি রাজ্যের সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করে এগিয়ে চলেছে অসম। আধুনিক…

ByByNews Desk Oct 5, 2026

গুয়াহাটিতে নাইটক্লাবে মহিলাকে পোশাক খুলিয়ে মারধরের অভিযোগ, ম্যানেজার আটক

গুয়াহাটি, ৩ অক্টোবর (আইএএনএস): অসমের গুয়াহাটির খানাপাড়া এলাকায় একটি নাইটক্লাবে এক মহিলাকে বাউন্সাররা পোশাক খুলিয়ে মারধর করেছে বলে…

ByByNews Desk Oct 3, 2026
Scroll to Top