আগরতলা, ১৭ আগস্ট: রাজ্য সরকারের লক্ষ্য প্রতিটি নাগরিককে সুস্থ রাখা। সে জন্য প্রতিটি বাড়িতে বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহের ব্যবস্থা করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। আজ সচিবালয়ের কনফারেন্স হলে ত্রিপুরা জল বোর্ডের এক পর্যালোচনা সভায় সভাপতিত্ব করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন।
সভায় মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন জায়গায় পানীয় জলের গুণমান বিষয়ে খোঁজখবর নেন। পানীয় জলের অপচয় বন্ধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের ১২টি নদীর জলকে সংরক্ষণ করার জন্য বিশেষ গুরুত্ব দিতে এবং সে জন্য দ্রুত ছোট ছোট ব্যারেজ নির্মাণের ব্যবস্থা রাখারও পরামর্শ দেন।
আয়রনমুক্ত পানীয় জল সরবরাহের ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে মুখ্যমন্ত্রী আধিকারিকদের নির্দেশ দেন। তিনি পানীয় জল সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত সংস্কারমূলক কাজ অব্যাহত রাখার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, জলের গুণমান বজার রাখতে প্রতিনিয়ত স্যামপল স্টাডি করতে হবে। জনসাধারণকে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু পরিষেবা দেওয়ার জন্য আধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তোলার প্রতি জোর দিতে হবে। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী গ্রাউন্ড ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, সার্ফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, আগরতলা শহরে জল সরবরাহের ব্যবস্থা সহ জল বোর্ডের অন্যান্য সমস্ত কাজের অগ্রগতির খোঁজখবর নেন।
সভায় ত্রিপুরা জল বোর্ডের মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক মিহির কান্তি গোপ বিভিন্ন জায়গায় গ্রাউন্ড ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, সার্ফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, আমরুত ২.০, বিভিন্ন জলাশয়ের সৌন্দর্যায়ন, এসসিএডিএ টেকনোলোজি, রোবটিক ও এআই-এর মাধ্যমে বিভিন্ন কাজের সংস্কার সহ ত্রিপুরা জল বোর্ডের অন্যান্য প্রকল্পগুলি সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রীকে অবহিত করেন। সভায় পূর্ত দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে এবং নগর উন্নয়ন দপ্তরের সচিব মিলিন্দ রামটেকে, জিএ (পি অ্যান্ড টি) দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে অবহিত করেন। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আগরতলা পুরনিগমের কমিশনার সাজু বাহিদ এ, পূর্ত দপ্তরের মুখ্য বাস্তুকার সহ পানীয় জল ও স্বাস্থ্য বিধান দপ্তরের এবং ত্রিপুরা জল বোর্ডের আধিকারিকগণ উপস্থিত ছিলেন।



















