ঔরঙ্গাবাদ, ২ আগস্ট (আইএএনএস): বিহারের ঔরঙ্গাবাদ জেলায় রহস্যজনক পরিস্থিতিতে আহত অবস্থায় উদ্ধার হওয়ার পর দেহরি-ডালমিয়ানগর পুর পরিষদের নির্বাহী আধিকারিক বিমল কুমারের মৃত্যু হয়েছে। বারুণ থানার অন্তর্গত ধনৌতি সেতুর কাছে শনিবার রাতে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
রোহতাসের জেলাশাসক দীপক কুমার মিশ্র জানান, শনিবার রাত প্রায় ১০টা ৩০ মিনিট নাগাদ দেহরি পুর পরিষদের নির্বাহী আধিকারিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপর ইনকোয়েস্ট সম্পন্ন করে সদর হাসপাতালে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয় এবং ভিডিওগ্রাফির মাধ্যমে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
যদিও ঘটনাটি ঔরঙ্গাবাদ জেলায় ঘটেছে, তবুও ঔরঙ্গাবাদ ও রোহতাস—দুই জেলার পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে বলে জানান জেলাশাসক। তিনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মিশ্র আরও জানান, বিমল কুমারের গাড়িচালককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ঔরঙ্গাবাদ পুলিশ।
এদিকে, মৃতের ভাই অনিল আগরওয়াল দাবি করেছেন, এটি কোনও দুর্ঘটনা নয়, বরং পূর্বপরিকল্পিত খুন। তাঁর অভিযোগ, ঘটনার সময় বিমল কুমারের সঙ্গে শুধু চালকই ছিলেন, তাই তদন্তে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখা উচিত।
উল্লেখ্য, গত মাসেও বিহারের পাটনা জেলার বিহটা থানার অন্তর্গত রঘোপুর গ্রামে একটি নলকূপের কাছে প্রাক্তন রাহু পঞ্চায়েত প্রধান সঞ্জয় কুমার যাদবের দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাতেও পরিবারের সদস্যরা খুনের অভিযোগ তুলেছিলেন এবং প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে রাস্তা অবরোধ করেছিলেন। পুলিশ ওই ঘটনারও তদন্ত শুরু করেছিল।


















