নিজস্ব প্রতিনিধি, সোনামুড়া, ৩১ জুলাই: দুবাইয়ে কর্মরত অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে সোনামুড়ার পূর্ব আড়ালিয়া এলাকার বাসিন্দা বিল্লাল হোসেন (৩৭)-এর। তাঁর অকাল মৃত্যুর খবরে পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আর্থিক অনটনের কারণে দুবাই থেকে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে না পেরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও স্থানীয় বিধায়কের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে পরিবার।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বিল্লাল হোসেনের পিতার নাম ছেরমত আলী। বর্তমানে তাঁদের পরিবার সোনামুড়ার ঠাকুরমুড়া এলাকায় বসবাস করছে। কর্মসূত্রে তিনি দুবাইয়ে ছিলেন। প্রায় দুই দিন আগে তাঁর মৃত্যুর খবর পরিবারের কাছে পৌঁছায়। তবে কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
বিল্লাল ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁর আয়ের উপরই নির্ভর করত পরিবারের ছয় সদস্যের জীবনযাত্রা। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী, ১৪ বছর বয়সী এক কন্যা, দুই জমজ শিশু সন্তান এবং বৃদ্ধ মা-বাবা। এছাড়া পরিবারের এক শিশু বর্তমানে অসুস্থ বলেও জানা গেছে।
আর্থিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল হওয়ায় দুবাই থেকে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যয়ভার বহন করা পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তাই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং স্থানীয় বিধায়ক তোফাজ্জল হোসেন-এর কাছে সরকারি সহায়তার আবেদন জানিয়েছে পরিবার। তাঁদের একটাই অনুরোধ, সরকারি উদ্যোগে যেন বিল্লাল হোসেনের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হয়, যাতে পরিবারের সদস্যরা শেষবারের মতো তাঁর মুখ দেখতে পারেন।
এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারাও প্রশাসনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা উচিত। এখন সরকারি সহায়তার দিকেই তাকিয়ে রয়েছে শোকস্তব্ধ পরিবারটি।



















