আগরতলা, ২৫ জুলাই: ত্রিপুরার ঐতিহ্যবাহী সাত দিনব্যাপী খার্চি পূজা উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবছরও কুমার পূজার আয়োজন করল শান্তি কালী সেবাশ্রম অল ত্রিপুরা কমিটি।
ত্রিপুরার অন্যতম প্রধান উৎসব খার্চি পূজাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর পুরাতন আগরতলার ১৪ দেবতা মন্দিরে বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রীতি হলো কুমার পূজা। জগতের মঙ্গল ও শান্তি কামনায় খার্চি পূজার সময় এই বিশেষ পূজায় অংশ নেয় শান্তি কালী সেবাশ্রম অল ত্রিপুরা কমিটি।
জানা গেছে, ১৯৯৭ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে ২০২৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে কুমার পূজার আয়োজন করে আসছে এই সংগঠন। এই পূজার বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো—পূজার সমস্ত আয়োজন ও ধর্মীয় কার্যক্রম অবিবাহিত যুবকদের অর্থাৎ কুমারদের দ্বারাই সম্পন্ন করা হয়।
এবছর ১৪ দেবতা মন্দিরে খার্চি পূজা উপলক্ষে শান্তি কালী সেবাশ্রম অল ত্রিপুরা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত কুমার পূজায় মোট ২১ জন কুমার অংশগ্রহণ করেন।
কুমার পূজার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় রীতিনীতি সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া জানান পুরাতন আগরতলা ১৪ দেবতা মন্দিরস্থিত শান্তি কালী সেবাশ্রমের মহারাজ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শান্তি কালী সেবাশ্রম অল ত্রিপুরা কমিটির মহারাজ, ত্রিপুরা ক্ষত্রিয় সমাজের সভাপতি ও সম্পাদকসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল।
ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে প্রতিবছরের মতো এবছরও শান্তি কালী সেবাশ্রমের এই উদ্যোগ ভক্তদের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ ও উৎসাহ সৃষ্টি করেছে।


















