News Flash

  • Home
  • প্রধান খবর
  • সরলতা ও নিঃস্বার্থ সেবার প্রতীক কে. কামরাজ, জন্মজয়ন্তীতে শ্রদ্ধা জানালেন উপরাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী
Image

সরলতা ও নিঃস্বার্থ সেবার প্রতীক কে. কামরাজ, জন্মজয়ন্তীতে শ্রদ্ধা জানালেন উপরাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

নয়াদিল্লি, ১৫ জুলাই (আইএএনএস): স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কে. কামরাজের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে বুধবার তাঁকে শ্রদ্ধা জানান উপরাষ্ট্রপতি সি.পি. রাধাকৃষ্ণন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দেশের স্বাধীনতা আন্দোলন, শিক্ষা বিস্তার এবং জাতি গঠনে তাঁর অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করে তাঁরা কামরাজকে সরলতা, সততা ও নিঃস্বার্থ জনসেবার অনন্য প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেন।

১৯০৩ সালের এই দিনে তামিলনাড়ুর বিরুধুনগরে জন্মগ্রহণ করেন কে. কামরাজ। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অন্যতম প্রবীণ নেতা হিসেবে তিনি অল্প বয়সেই স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগ দেন এবং ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নিয়ে একাধিকবার কারাবরণ করেন। গান্ধীবাদী আদর্শ, সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং নিরহংকার জীবনযাপনের জন্য তিনি ব্যাপকভাবে সমাদৃত ছিলেন।

এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া বার্তায় উপরাষ্ট্রপতি সি.পি. রাধাকৃষ্ণন বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ভারতের অন্যতম বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা ‘কর্মবীর’ থিরু কে. কামরাজকে তাঁর জন্মদিনে গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তিনি সরলতা, সততা ও নিঃস্বার্থ জনসেবার সর্বোচ্চ উদাহরণ ছিলেন। প্রত্যেক শিশুর শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে তিনি হাজার হাজার বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যার ফলে দরিদ্র ও গ্রামীণ এলাকার ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষার সুযোগ পেয়েছে।

উপরাষ্ট্রপতি আরও বলেন, শিল্পোন্নয়ন, সেচ ব্যবস্থা, গ্রামীণ উন্নয়ন এবং সামাজিক কল্যাণে কামরাজের দূরদর্শী উদ্যোগ তামিলনাড়ুর অগ্রগতির শক্ত ভিত গড়ে দেয়। তাঁর আদর্শ, নিষ্ঠা এবং জনকল্যাণে নিবেদিত জীবন ভবিষ্যতেও দেশসেবায় নিয়োজিত মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক্স-এ লেখেন, “থিরু কে. কামরাজজির জন্মজয়ন্তীতে তাঁকে স্মরণ করছি। তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম স্তম্ভ এবং অসাধারণ জননেতা ছিলেন। শিক্ষা, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে তাঁর আজীবন নিবেদন প্রজন্মের পর প্রজন্মকে পথ দেখিয়ে চলেছে।”

১৯৫৪ থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কামরাজ শিক্ষাক্ষেত্রে যুগান্তকারী সংস্কার করেন। তাঁর সরকার স্কুলে মধ্যাহ্নভোজন প্রকল্প চালু করে এবং হাজার হাজার নতুন বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে, যার ফলে বিশেষ করে দরিদ্র ও প্রান্তিক পরিবারের লক্ষ লক্ষ শিশু শিক্ষার সুযোগ পায়।

পরবর্তীকালে লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং ইন্দিরা গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় তিনি ‘কিংমেকার’ নামে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৭৫ সালে তাঁর প্রয়াণ পর্যন্ত তিনি কংগ্রেসের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। শিক্ষা, দরিদ্র মানুষের উন্নয়ন এবং জাতীয় ঐক্যের প্রতি তাঁর অবদান আজও বিশেষভাবে স্মরণীয়।

Releated Posts

ভারত-যুক্তরাজ্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিকে স্বাগত ন্যাসকম ও ফিক্কির, ‘বিকশিত ভারত’-এর পথে বড় পদক্ষেপ

নয়াদিল্লি, ১৫ জুলাই (আইএএনএস): ভারত-যুক্তরাজ্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) কার্যকর হওয়াকে স্বাগত জানিয়েছে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের শীর্ষ সংগঠন…

ByByNews Desk Jul 15, 2026

হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা, নিখোঁজ ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করল পরিবার

পুণে, ১৫ জুলাই (আইএএনএস): ওমান উপকূলের কাছে হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ ‘জিএফএস গ্যালাক্সি’-তে হামলার পর নিখোঁজ হওয়া পুণের…

ByByNews Desk Jul 15, 2026

কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে একাধিক ইস্যুতে কেন্দ্রকে নিশানা সিপিএমের, দেশজুড়ে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা

নয়াদিল্লি, ১৪ জুলাই : ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-র (সিপিআই(এম)) কেন্দ্রীয় কমিটির তিনদিনের বৈঠক ১১ থেকে ১৩ জুলাই নয়াদিল্লিতে…

ByBySandeep Biswas Jul 14, 2026

ভারত ও প্রতিবেশী অঞ্চলে বিদেশি অপারেটিভদের উপস্থিতির একাধিক ঘটনা, নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

নয়াদিল্লি, ১৪ জুলাই (আইএএনএস): ভারত ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বিদেশি নাগরিকদের সন্দেহজনক গতিবিধি এবং সম্ভাব্য সামরিক বা নিরাপত্তা-সংক্রান্ত…

ByByNews Desk Jul 14, 2026

Leave a Reply

Scroll to Top