কলকাতা, ১ জুলাই: পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি সংলগ্ন ভারত-নেপাল সীমান্তে দুটি পৃথক অভিযানে প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা নগদ বাজেয়াপ্ত করেছে সশস্ত্র সীমা বল (এসএসবি)। সীমান্ত পেরিয়ে যথাযথ নথিপত্র ছাড়াই এই অর্থ নেপালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে বুধবার জানিয়েছেন আধিকারিকরা।
এই ঘটনায় এক ভারতীয় ও এক নেপালি নাগরিককে আটক করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য শুল্ক দফতরের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী, বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ নেপালে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সীমান্তের শুল্ক দফতরে তা ঘোষণা করা বাধ্যতামূলক।
প্রথম ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার সকাল প্রায় ১০টা ১৫ মিনিটে। পানিটাঙ্কির বিআইটি নিউ ব্রিজে ৪১ নম্বর ব্যাটালিয়নের এসএসবি জওয়ানরা নিয়মিত তল্লাশির সময় গণপরিবহনে নেপালগামী এক যাত্রীর লাগেজ থেকে ৫০০ টাকার নোটে মোট ৮ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেন।
ধৃতের পরিচয় বিজ্ঞান রাই (২৭)। তিনি নেপালের সাগরমাথা অঞ্চলের খোটাং জেলার বাসিন্দা। তাঁর কাছে থাকা বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থের বৈধ উৎস সম্পর্কে তিনি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ২টা ২০ মিনিটে। একই এলাকায় নিয়মিত তল্লাশির সময় ভারত থেকে নেপালগামী একটি ব্যক্তিগত গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। গাড়ির বিভিন্ন গোপন খোপ থেকে ৫০০ টাকার নোটে মোট ৮ লক্ষ ৪৪ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার হয়।
এই ঘটনায় সিকিমের গ্যাংটকের বোগোঘারি এলাকার বাসিন্দা সুকরাম তামাং (৩৭)-কে আটক করা হয়েছে।
এসএসবির এক আধিকারিক জানান, আটক দুই ব্যক্তি, বাজেয়াপ্ত নগদ অর্থ এবং গাড়িটি শুল্ক দফতরের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে মঙ্গলবারই বিহার পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযানে সীমান্ত সংলগ্ন ভাটগাঁও এলাকা থেকে ৫৪৩ গ্রাম সন্দেহভাজন ব্রাউন সুগারও উদ্ধার করেছে এসএসবি। এই ঘটনায় বিহারের বাসিন্দা মোহাম্মদ উমর (২৩) এবং মোহাম্মদ ফারুখ (৪৬)-কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এসএসবির ওই আধিকারিক বলেন, “ভারত-নেপাল সীমান্তে চোরাচালান, মানবপাচার এবং অন্যান্য অপরাধ রুখতে ৪১ নম্বর ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা সর্বদা সতর্ক রয়েছেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে।”
সূত্র: আইএএনএস



















