নয়াদিল্লি, ১৯ এপ্রিল (আইএএনএস): পরশুরাম জয়ন্তী উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার তিনি ভগবান পরশুরামের বীরত্ব, প্রজ্ঞা এবং ন্যায়বোধের আদর্শকে সামনে রেখে সকলকে সত্যের পথে অবিচল থাকার আহ্বান জানান।
এক্স (সাবেক টুইটার)-এ পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভগবান পরশুরাম জয়ন্তীর আন্তরিক শুভেচ্ছা। তাঁর কাছ থেকেই আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর এবং সত্যের পথে অবিচল থাকার প্রেরণা পাই। অতুলনীয় বীরত্ব ও প্রজ্ঞার প্রতীক ভগবান পরশুরামের কৃপা সকলের হৃদয়ে নতুন উদ্যম ও আত্মবিশ্বাস সঞ্চার করুক। তাঁর আশীর্বাদে সকলের জীবন সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক।”
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “ভগবান পরশুরামের জন্মজয়ন্তীতে আন্তরিক শুভেচ্ছা। ন্যায় ও ধর্মের প্রতীক ভগবান পরশুরামের কাছে দেশবাসীর কল্যাণ কামনা করি।”
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করিও শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, “ভগবান শ্রী পরশুরাম জয়ন্তীর আন্তরিক অভিনন্দন।”
নেতাদের এই বার্তাগুলি এই বিশেষ দিনের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্বকে তুলে ধরে, যা সারা দেশে শ্রদ্ধা ও ভক্তিভরে পালন করা হয়।
হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, বৈশাখ মাসের শুক্ল পক্ষের তৃতীয়া তিথিতে পরশুরাম জয়ন্তী উদযাপিত হয়। সনাতন ধর্ম অনুযায়ী, এই দিনটিই ভগবান পরশুরামের আবির্ভাব দিবস, যিনি ভগবান বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার হিসেবে পরিচিত। বিশ্বাস করা হয়, ত্রেতা যুগে তিনি অন্যায় দূর করে ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য পৃথিবীতে অবতীর্ণ হন।
ভগবান পরশুরাম জ্ঞান, তপস্যা ও অসীম শক্তির প্রতীক হিসেবে পূজিত হন। তিনি অষ্ট চিরঞ্জীবিদের (অমর সত্তা) অন্যতম বলেও বিবেচিত।
এই দিনে দেশজুড়ে ভক্তরা প্রার্থনা ও পূজার মাধ্যমে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁর জীবনাদর্শ থেকে সাহস, প্রজ্ঞা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অনুপ্রেরণা গ্রহণ করেন।



















