News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • জলের মূল উৎস ভূগর্ভস্থ জল; ত্রিপুরায় মাত্র ১০% তোলা হয় : মুখ্যমন্ত্রী
Image

জলের মূল উৎস ভূগর্ভস্থ জল; ত্রিপুরায় মাত্র ১০% তোলা হয় : মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ১৯ মার্চ : বর্তমানে আগরতলা পুর নিগমের ৫১টি ওয়ার্ডেই বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ করা হয়। ৩১টি আয়রন রিমুভ্যাল প্ল্যান্ট থেকে পুর এলাকায় পরিশ্রুত পানীয় জল দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। ত্রিপুরা বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের পঞ্চম দিনে আজ বিধায়ক গোপাল রায়ের আনীত প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানান মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা।

সভায় তথ্য দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা নগরোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী ডাঃ সাহা জানান, ২০১৮ সালের পর মাস্টার পাড়ায় একটি ৫.৫০ এমএলডি নতুন ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট এবং কলেজ টিলায় ৩ এমএলডি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। আমরা মাঝে মাঝে যে নোংরা, ঘোলা জল পেয়ে থাকি সেটার মূল কারণ হচ্ছে রাস্তা সংস্কারের কাজ চলাকালীন বা ক্যাবল লাইন, গ্যাস লাইন বা ড্রেন নির্মাণের সময় আগরতলা শহরে এই ধরনের পাইপলাইন কাটার সময় দুর্ঘটনাবশত হয়ে থাকে। তাই আমরা দ্রুত এটি সারাই করি এবং সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখি।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগরতলা পুর নিগম ক্লিন ইওর ট্যাঙ্ক ক্যাম্পেইন শুরু করেছে। ত্রিপুরা জল বোর্ডের অধীনে, ড্রিঙ্কিং ওয়াটার এন্ড স্যানিটেশন ডিভিশন আগরতলা এক এবং চারটি সাব ডিভিশনের মাধ্যমে আগরতলা পুর নিগম এলাকায় জল সরবরাহ করে। বর্তমানে পুর নিগম এলাকায় ১৩টি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট রয়েছে। আরো ৩১টি আয়রন রিমুভ্যাল প্ল্যান্ট রয়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে প্যাকেজ সিস্টেম আয়রন রিমুভ্যাল প্ল্যান্ট। পুর এলাকায় পানীয় জলের উৎস হাওড়া নদীর জল ২৫% এবং বাকি ৭৫% ভূগর্ভস্থ জল।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, সেন্ট্রাল গ্রাউন্ড ওয়াটার বোর্ডের তথ্য অনুসারে ৬০.৬০ শতাংশ জল মাটির নিচ থেকে উত্তোলন করা যাবে। যারমধ্যে বর্তমানে শুধুমাত্র ১০.০৬% জল মাটির নিচ থেকে উত্তোলন করা হয়। পানীয় জল সরবরাহের ক্ষেত্রে বেশিরভাগই এখন ভূগর্ভস্থ জলের উপর নির্ভর করতে হয়। আগরতলা পুর নিগম এলাকায় জনসংখ্যা প্রায় ৫ লক্ষ ৭৯ হাজার ৪১৮ জন। এরমধ্যে প্রত্যেকের জন্য জলের প্রয়োজন হয় ১৩৫ লিটার। যেখানে সর্বমোট পানীয় জলের প্রয়োজন ৭৮.২২ মিলিয়ন লিটার।

মুখ্যমন্ত্রী আরো জানান, পানীয় জলের জন্য অনেকের বাড়িতে ডিপ টিউবওয়েল, পাম্প কিংবা অন্যান্য ব্যবস্থা রয়েছে। এর মাধ্যমেও পানীয় জলের ব্যবস্থা হয়ে থাকে। এছাড়া পানীয় জলের গুণগত মান যাচাইয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। এক্ষেত্রে স্ব সহায়ক দলের সদস্যরা (অমৃত মিত্র) বিভিন্ন ওয়ার্ড এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে জলের গুণগত মান পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন। সেই সঙ্গে প্রতি ৬ মাস অন্তর জলের ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করার জন্য সচেতনতা মূলক পরামর্শ দেওয়া হয়।

Releated Posts

রাজনীতি থেকে সরে শিক্ষকতায় প্রত্যাবর্তন, এমবিবি স্কুলে যোগ দিলেন প্রাক্তন সাংসদ রেবতী ত্রিপুরা

আগরতলা, ২ আগস্ট: সক্রিয় রাজনৈতিক জীবন থেকে সরে এসে আবারও শিক্ষকতার পেশায় ফিরলেন রাজ্যের প্রাক্তন সাংসদ রেবতী ত্রিপুরা।…

ByByReshmi Debnath Aug 2, 2026

শ্রাবণ মাসে তারকেশ্বর মন্দিরে সস্ত্রীক পূজা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ২ আগস্ট: পবিত্র শ্রাবণ মাসের কৃষ্ণ চতুর্থী তিথি উপলক্ষে রবিবার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হুগলি জেলার চন্দননগর মহকুমার তারকেশ্বর…

ByByReshmi Debnath Aug 2, 2026

কলাছড়ায় মর্মান্তিক পথদুর্ঘটনা: গাড়ির ধাক্কায় মহিলার মৃত্যু, আহত কিশোরী; পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

আগরতলা, ২ আগস্ট: দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার কলাছড়া রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় রবিবার সকালে এক মর্মান্তিক পথদুর্ঘটনায় এক মহিলার মৃত্যু…

ByByReshmi Debnath Aug 2, 2026

মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরে মদ্যপ অবস্থায় পুলিশকর্মীর ডিউটির অভিযোগ, তদন্তের দাবি

আগরতলা, ২ আগস্ট: গোমতী জেলার উদয়পুরে অবস্থিত মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরে কর্তব্যরত এক পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় ডিউটি…

ByByReshmi Debnath Aug 2, 2026
Scroll to Top