News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • বিএমএস পশ্চিম জেলার কমিটির উদ্যোগে জেলা শাসকের নিকট ডেপুটেশন প্রদান
Image

বিএমএস পশ্চিম জেলার কমিটির উদ্যোগে জেলা শাসকের নিকট ডেপুটেশন প্রদান

আগরতলা, ২৫ ফেব্রুয়ারি: বিএমএস-এর ২১তম সর্বভারতীয় সম্মেলনে ওড়িশাতে গৃহীত প্রস্তাবগুলির অবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবিতে আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে “প্রতিবাদ দিবস” পালন করা হয়। পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা বিএমএস-এর পক্ষ থেকে জেলাশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এক স্মারকলিপি পেশ করা হয়েছে আজ।

স্মারকলিপিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংগঠিত ও অসংগঠিত—উভয় ক্ষেত্রের শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন জ্বলন্ত সমস্যা বারবার সরকারের কাছে উত্থাপন করা হলেও সেগুলির যথাযথ সমাধান আজও হয়নি। বিশেষ করে মিড-ডে মিল কর্মী, আশা কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা দশকের পর দশক অত্যন্ত স্বল্প সম্মানী পেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। প্রায় পাঁচ দশক ধরে পরিষেবা দেওয়া সত্ত্বেও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের এখনও ‘স্কিম ওয়ার্কার’ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে এবং কাজের পরিধি বাড়লেও সম্মানী বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সরকারের অনীহা শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।

এছাড়া, বিভিন্ন রাজ্যে ন্যাশনাল টেক্সটাইল কর্পোরেশন (এনটিসি)-র মিলগুলির শ্রমিকরা মহামারির পর থেকে মাত্র ৫০ শতাংশ মজুরি পাচ্ছেন এবং কয়েক মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে বলে অভিযোগ। রাঁচির হেভি ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন (এইচইসি)-সহ একাধিক রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার কর্মীরাও দীর্ঘদিন বেতনবঞ্চিত। ইপিএস-৯৫-এর আওতায় ন্যূনতম পেনশন মাসে এক হাজার টাকায় স্থির থাকায় লক্ষাধিক পেনশনভোগী চরম আর্থিক সঙ্কটে পড়েছেন। ব্যাংকিং ক্ষেত্রেও পাঁচ দিন কর্মসপ্তাহ চালুর দাবিতে কর্মীদের আন্দোলনের কথাও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিএমএস জেলা ইউনিটের উত্থাপিত মূল দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে, অবিলম্বে ইন্ডিয়ান লেবার কনফারেন্স আহ্বান এবং ত্রিপাক্ষিক কমিটিগুলির পুনর্গঠন ও কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করা। ব্যাংকিং ক্ষেত্রে পাঁচ দিন কর্মসপ্তাহ চালু করা। সকল স্কিম কর্মীদের মাসিক সম্মানী বৃদ্ধি।এনটিসি, এইচইসি, আইটিআই, এইচএমটি প্রভৃতি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বকেয়া মজুরি দ্রুত পরিশোধ। ইপিএস-৯৫-এর ন্যূনতম পেনশন ১,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭,৫০০ টাকা করা এবং মহার্ঘ ভাতা প্রদান। ইএসআই ও ইপিএফ-এর আওতা বাড়াতে যোগ্যতার সীমা বৃদ্ধি। বোনাস আইনের আওতায় বেতনসীমা বর্তমান মজুরি কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাড়ানো। সংবিধানের ১৪, ১৫, ১৬ ও ২১ অনুচ্ছেদের নীতির আলোকে স্কিম ও চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের নিয়মিতকরণ। সাধারণ নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে স্থায়ী ও নিরাপদ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।

Releated Posts

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৬ জুলাই: কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে রবিবার বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক…

ByByReshmi Debnath Jul 26, 2026

ত্রিপুরা-মিজোরাম সীমান্ত সমস্যা সমাধানে আগস্টের প্রথম সপ্তাহে আগরতলায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৬ জুলাই: দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ত্রিপুরা-মিজোরাম আন্তঃরাজ্য সীমান্ত সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে আগামী আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে…

ByByReshmi Debnath Jul 26, 2026

যৌথ বাহিনীর অভিযানে যাত্রাপুরে ২১১ কেজি শুকনো গাঁজা উদ্ধার, বাজারমূল্য প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা

আগরতলা, ২৬ জুলাই: নেশার বিরুদ্ধে বড়সড় সাফল্য পেল রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ), গোয়েন্দা শাখা এবং যাত্রাপুর…

ByByReshmi Debnath Jul 26, 2026

‘মন কি বাত’ শুনলেন মুখ্যমন্ত্রী, ত্রিপুরার ‘চৌংপ্রেং’-এর প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন

আগরতলা, ২৬ জুলাই: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয় রেডিও অনুষ্ঠান ‘মন কি বাত’-এর ১৩৬তম পর্ব রবিবার দেশজুড়ে সম্প্রচারিত হয়।…

ByByReshmi Debnath Jul 26, 2026
Scroll to Top