News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • রাজ্যের ২১টি বাজারকে ই-মার্কেটে রূপান্তরিত করা হবে : কৃষি মন্ত্রী
Image

রাজ্যের ২১টি বাজারকে ই-মার্কেটে রূপান্তরিত করা হবে : কৃষি মন্ত্রী

আগরতলা: কৃষকদের আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজ্যের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তর, কেন্দ্র সরকারের সহায়তায় রাজ্যের মোট ২১টি বাজারকে ই-মার্কেটে রূপান্তর করতে চলেছে। এর মাধ্যমে রাজ্যের কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত পণ্য অনলাইনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রি করতে পারবেন। আজ এই ঘোষণা করেন রাজ্যের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী রতন লাল নাথ। মন্ত্রী আজ ধলাই জেলার কুলাইয়ে নবনির্মিত বাজার এবং নোয়াগাঁও গ্রামে গ্রামীণ জ্ঞানকেন্দ্রের উদ্বোধন করেন।

মন্ত্রী জানান, রাজ্যে বর্তমানে মোট ৫৫৪টি কৃষি বাজার রয়েছে। এর মধ্যে ৮৪টি পাইকারি বাজার এবং সেই তালিকায় ২১টি কৃষি উৎপাদন বাজার অন্তর্ভুক্ত। কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার গত সাত বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছে। আমরা মনে করি শুধুমাত্র কৃষিজ উৎপাদন যথেষ্ট নয়। উৎপাদিত পণ্যকে শিল্পপণ্যের মতোই বাজারজাত করার ব্যবস্থা করতে হবে। ২০১৮ সালের আগে সাত বছরে আগের সরকার বাজার উন্নয়নে খরচ করেছিল ২০ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। অথচ আমাদের সরকারের সাত বছরে এই খাতে ব্যয় হয়েছে ৩০৩ কোটি টাকা। এর মাধ্যমে স্পষ্ট বোঝা যায় কৃষকদের জন্য সরকার কতটা আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

মন্ত্রী জানান, রাজ্যে মোট ২১টি বাজারকে ধাপে ধাপে ইলেকট্রনিক ন্যাশনাল এগ্রিকালচার মার্কেট (eNAM)-এর আওতায় আনা হবে। তিনি আরও বলেন এই প্রকল্প কেন্দ্র সরকারের উদ্যোগ। এর মাধ্যমে কৃষকরা বাড়িতে বসেই তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের ছবি ও পরিমাণ আপলোড করে দেশের যেকোনো স্থানে সঠিক মূল্যে বিক্রি করতে পারবেন।

মন্ত্রী জানান, প্রথম পর্যায়ে সাতটি বাজার যেগুলো হল পানিসাগর, পাবিয়াছড়া , কুলাই বাজার, তেলিয়ামুড়া, মোহনপুর, সোনামুড়া ও শান্তিরবাজারকে ই-মার্কেটের আওতায় আনা হবে। এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ১২টি বাজার — দশদা , বাছাইবাড়ি, কল্যাণপুর, চম্পকনগর, বিশালগড়, জম্পুইজলা, মেলাঘর, বড়পথারী, নতুন বাজার, গণ্ডা তুইষা ও ছামনু যুক্ত হবে।

প্রতিটি বাজারে অফিস, নিলাম মঞ্চ, পানীয় জলের ব্যবস্থা, দোকান, ল্যাবরেটরি, গ্রেডিং ও বাছাই ব্যবস্থা, ওজন করার ব্যবস্থা এবং গুদাম নির্মাণ করা হবে। প্রথম সাতটি বাজারের জন্য কেন্দ্র সরকার থেকে ইতিমধ্যে ২.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। শেষে মন্ত্রী বলেন আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করা এবং তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের যথাযথ মূল্য নিশ্চিত করা কারণ উন্নয়ন ও অর্থনীতির মূল ভিত্তি কৃষি।

Releated Posts

অ্যাক্ট ইস্ট নীতির সাফল্যই ত্রিপুরার আনারসকে বিশ্ববাজারে পৌঁছে দিয়েছে: রতন লাল নাথ

আগরতলা, ২৭ জুন : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভোকাল ফর লোকাল এবং আত্মনির্ভর ভারত উদ্যোগকে বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যেই নয়াদিল্লিতে…

ByByNews Desk Jun 27, 2026

ত্রিপুরাকে বিশ্বের দরবারে নিয়ে যেতে কুইন আনারস এক বিশেষ ভূমিকা রাখছে: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ২৭ জুন: ত্রিপুরার সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে আনারসের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। ত্রিপুরাকে বিশ্বের দরবারে নিয়ে যেতে কুইন…

ByByNews Desk Jun 27, 2026

রামনগর বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শনে মানিক সরকার, মৃত শুভ্রজিতের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ

আগরতলা, ২৭ জুন: রামনগর ফ্ল্যাটে ভয়াবহ বিস্ফোরণকান্ডে মৃত শুভ্রজিত চৌধুরীর পরিবারের সঙ্গে আজ দেখা করেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী…

ByByTaniya Chakraborty Jun 27, 2026

গণ্ডাছড়ায় নৃশংস ঘটনা, মদ্যপ অবস্থায় দুই সন্তানকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে

আমবাসা, ২৭ জুন: ধলাই জেলার গণ্ডাছড়া মহকুমার উল্টাছড়া ব্রু পুনর্বাসন গ্রাম শনিবার সকালে এক হৃদয়বিদারক ঘটনার সাক্ষী হয়েছে।…

ByByTaniya Chakraborty Jun 27, 2026
Scroll to Top