নিজস্ব প্রতিনিধি, তেলিয়ামুড়া, ৪ এপ্রিল:
তেলিয়ামুড়ার প্রান্তিক অঞ্চলে, যেখানে দীর্ঘদিন ধরে নীতিগত ত্রুটির কারণে দরিদ্র ও অসহায় জনগণের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় ব্যাঘাত দেখা দিয়েছে, সেখানে মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা মানবিকতার বাস্তব প্রকাশ ঘটাচ্ছেন। মন্ত্রীর এই গভীর মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি শুধু প্রশাসনিক উদ্যোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং প্রত্যেক অসহায় নাগরিকের জীবনে আশার নতুন আলো জ্বালাতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
মুঙ্গিয়াকামি বাজার এলাকায় বাসকারী প্রতিবন্ধী নাগরিক সুশীল দেববর্মা, যিনি অতীতে আততায়ীর বন্দুকের গুলিতে আহত হয়ে এক পা হারানোর কষ্ট ভোগ করেছেন, তাঁর জীবনের সংগ্রামকে গভীরভাবে উপলব্ধি করে মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা সরাসরি কার্যক্রম গ্রহণের সংকল্প প্রকাশ করেন। তাঁর মতে,
“মানবতার আসল পরীক্ষা হলো দুর্বল, অসহায় জনগণের পাশে দাঁড়ানো।”এই বক্তব্যের মাঝে মন্ত্রী জানান যে, সুশীল দেববর্মার কষ্ট ও সংগ্রামের কথা শুধুমাত্র অভিযোগ হিসেবে নয়, বরং একটি নতুন নীতিমালা ও বাস্তবায়নের আহ্বান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা তেলিয়ামুড়া মহকুমার শাসক পরিমল মজুমদারের সাথে আলোচনা চালিয়ে, রেশন কার্ড বিতরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিবন্ধী ও আর্থিকভাবে দুর্বল জনগোষ্ঠীর কল্যাণে নিরলস প্রচেষ্টার কথা জানান।
এই আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল—দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী নাগরিকদের আর্থিকভাবে সুরক্ষিত করে, তাঁদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা। অতীতের ব্যবস্থাপনার ত্রুটিগুলো তুলে ধরে, মন্ত্রী জানান যে, নতুন নীতিমালা ও কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রতিটি অসহায় নাগরিককে মানবিক সহায়তা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। তাঁর এই মানবিক উদ্যোগ কেবল প্রশাসনিক কাজ নয়, বরং সমাজের দুর্বলতম শ্রেণীর মানুষের প্রতি একটি অকটক হৃদয়বান প্রতিশ্রুতি।
মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মার বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল যে, সমাজের প্রত্যেক শ্রেণীর মানুষের কষ্ট-কথা ও সংগ্রাম তাঁর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবন্ধী সুশীল দেববর্মার কষ্ট ও সংগ্রামকে সামনে রেখে, তিনি বলেন, “প্রতিটি নাগরিকের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করা শাসনের মূল দায়িত্ব।”এই মানবিক আদর্শের পরিচয়ে, মন্ত্রী তাঁর উপস্থিতি ও পদক্ষেপ দিয়ে নিশ্চিত করছেন যে, আগামী দিনে তেলিয়ামুড়া অঞ্চলের প্রতিটি দুর্বল ও অসহায় মানুষের জীবনে নতুন আশার সূচনা হবে।



















