আগরতলা, জুন : ৮ জুন থেকে শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় শনিবার একজোটে নাট্যচর্চার উদ্যোগে নাটক প্রদর্শন।
নাটক সমাজের দপণ- এই শব্দটি আজকাল বড়ই সেকেলে মনে হতে পারে- এই ইন্টারনেটের এবং উন্নয়ন গড়ার তাগিদে সদা আবিষ্ট বর্তমান তরতাজা যৌবন বা নব প্রজন্মের কাছে। কিন্তু যারা রাজনীতির সমস্যাকে সামনের সামনে তুলে ধরতে পারে সেই সমাজ গড়ার লক্ষে এখনও নাটককে ভালোবাসেন, নাট্যচর্চাকে একটা দায়বদ্ধতা দিতে চান- মীমাংসা করতে হবে, এখনও গানের বর্ণনার মত থাকার জন্য।
সুষ্ঠু সমাজ গড়তে হলে নাটকের ভিডিওকে দেখার কোন উপায় নেই। এক সময় নাটককে একটি বাড়তি বিলাসিতা ও বিনোদনের একটি বড় মাধ্যম হিসাবে প্রতিসম্পন্ন করার জন্য অনেক নাট্য সংস্হা ও নাট্য শিল্পীরা নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করতে পারে।
টিভি সংস্কৃতির চিত্রনোর পরে শক্তিশালীভাবে হাতের লুতে এবং স্থানীয় ব্যবস্থার মুঠো রাজনৈতিক ক্ষমতার পরে নব প্রজন্মের কাছে এখন আর মঞ্চে গিয়ে নাটকটি তাগিদ থাকছে কি? অনেক মনে এ প্রশ্ন ওঠা অস্বাভাবিক নয়।
আজ যে মঞ্চের দিকে নতুন প্রজন্মের নিজেরটা আছে আমরা কম দেখছি- যে প্রধান কয়টি কারণ, তার মধ্যে নতুন প্রজন্মের তৈরি ঘাঁটার তাগিদ, আমার মুখ থেকে কেড়ে শক্তি মাতৃভাষা হয়েছে। এরা জানেন-লোকসংস্কৃতি কি, ভ্রমণ শিল্প কি, নাট্য শিল্পের অংশ কি? সমস্ত জিনিষ তাগিদে আর্থ-মাজিক অবস্হানও কিন্তু নাট্যচর্চার একটি মূল পরিপ্রেক্ষিতে।
ত্রিপুরার নাট্য আন্দোলন বা নাট্যধারার ইতিহাসে শহর ধর্মনগরের একটি বৈশিষ্ট্য ও একটি উজ্জ্বল ভূমিকা রয়েছে। শহর ধর্মনগর ত্রিশের পার্টি থেকে নাট মন্ডল শুরু নাট্য চর্চা থেকে আজ ২০২৪ এ তিনটি অংশে স্থানীয়ভাবে নাট্যবসহায় এসেও সমান্তরালঞ্চ মণ্ডল ধর্মনগরী কিন্তু এই নাট্যনাট্যের দল নিরবধি। পথের মধ্যে তার খামতি ভাষা সংস্কৃতির এই শ্রেষ্ট শিল্পক্ষেত্রটি কিন্তু কোন পথে নেই।
তবে, এখন আর নাটক নিয়ে বিলাসিপ্রসারণ চাই না শহর ধর্ম ও তার আশপাশের নাট্য দল ও নাট্য সংহায়গুলো। এখন এই শিল্পকে স্বাচ্ছন্দ্যমতো গঠন করতে একটি উদ্যোগ নিতে একটি উদ্যোগ নিতে হবে। আর এই উদ্যোগের প্রথম যার পক্ষ ও অনুপ্রেরণা সম্পাদিত হচ্ছে-তিনি ত্রিপুরার নাট্য ও যাত্রা শিল্পের একজন প্রথম সারির শিল্প প্রতিভা- শ্রী বিশ্ববন্ধু সেনমহোদয়। তার অনুপ্রেরণায় ধর্মনগরের সব কটি নাট্যদলকে একসূত্রে গেঁথে গঠন করা হয়েছে-” একজোটে নাট্যচর্চা”নামক একটি রাষ্ট্র।
এই একজোটে নাট্যচর্চা কেন্দ্রের ভাগ এখন থেকে প্রতিমাসে দ্বিতীয় শনিবার শহর ধর্মনগরে চেষ্টা নাট্য মঞ্চনা। এই জুনের ৮ তারিখ দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে তার প্রচারযাত্রা শুরু হতে চলেছে বিশেষ নাট্যভিনেতা তথ্যের ত্রিপুরা সম্ভাবনা সভার মাননীয় অধ্যক্ষ শ্রী বিশ্ববন্ধু সেনমোদয়ের হাত ধরে। ত্রিপুরের ইতিহাসে মাস আগে শহর আগররতলার রবীন্দ্র ভবনে এই শহরের কয়েক প্রয়াসের পর শহর ধর্ম এই প্রয়াস রাজ্যে এবং দ্বিতীয় রাজ্যের কোন মফঃস্বল মালিক এই প্রয়াস প্রথম।
এই সপ্তাহে চব্বিশ তারিখের জুনের ৮ তারিখ থেকে আগামী বছর ২০২৫ মাস কোন মাসে কোন সংস্হা নাটক লিখতে- এর মধ্যে তার রূপরেখাও একজো পার্টি থেকে প্রচার করা হয়েছে। অন্য কোন বিলাসিতা নয়-চূড়া মনোভাব নিয়ে নাট্য শিল্পীরা এখন নিজের প্রতি যেমন প্রতি সম্পন্ন করতে চান, নাট্যমোদী দর্শকদের টিকিট উন্নতমানের নাটক দেখার সুযোগ নিতে সবাইকে একটি প্ল্যাটফর্মে এসে দাঁড়াবে- এই বিশ্বাস রাখা হয়েছে “একজোটে নাট্যধারা” সংস্থা।
নাট্য সংস্থা, নাট্য ভীরু-কলাকুশলী লেখক ও লেখক লেখক থেকে নাট্যমোদী দর্শক, সকল প্রসেন নতুন ভাবনায় একজোটের এই নতুন প্রসেসকে ঐকান্তিক অপরাপয় সফল করে তোলার আহ্বানে একমত নাট্যচর্চা।
এই উদ্যোগের মূল কান্ডারী হিসাবে সকলের প্রিয় মানুষ- নাট্য ব্যাক্তিত্ব শ্রদ্ধে শ্রী বিশ্ব সেন মহোদয়। একট প্রভাবে নাট্যচর্চার আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে শান্তি নাট্য ও নাট্যকার সুমিত চৌধুরী ও নাট্যকার রণজিৎ পুরকায়স্থ, অভিনয়, নির্দেশক ঘোষণা। তাদের সংখ্যা গণমানুষী নাট্য্য।
সকলের উত্তর ও গৌরবময় উপস্থিতিতে প্রতিমাসে দ্বিতীয় সপ্তাহের নাটক মঞ্চনাটকগুলি সফলতা লাভ করুক-এটাই আমাদের খেলা পাথয়। তাই এপ্রিল-৮ই জুন সন্ধ্যা ৬ স্থানীয় অর্ধেন্দু ভট্টাচার্য স্মৃতি ভবনের অডিটোরিয়ামে সকলকে নিয়ে। ঐদিন ঘটনা-প্রথম নাটক-“চিক সুতোর বাঁধন”। সাংবাদিক আপনার উপস্থিত ছিলেন সমর চক্রবর্তী একজোটে নাট্যধারা, সুমিতনাথ চৌধুরী আহ্বায়ক।



















