আগরতলা, ১ জানুয়ারি: প্রতি ঘরে সুশাসন ২.০ অভিযানে মানুষের সার্বিক কল্যাণে বিভিন্ন প্রকল্প ও পরিষেবার সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এতে পুর এলাকার নাগরিকগণ নিজেদের ওয়ার্ডেই বিভিন্ন সুবিধা পাচ্ছেন।
আজ বড়জলাস্থিত দেশবন্ধু পাড়া ক্লাব প্রাঙ্গণে আগরতলা পুরনিগমের উত্তর জোনভিত্তিক প্রতি ঘরে সুশাসন ২.০-এর দ্বিতীয় পর্যায়ের বিকাশ শিবিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুরনিগমের মেয়র দীপক মজুমদার একথা বলেন।
বিকাশ শিবিরের উদ্বোধন করে তিনি বলেন, বর্ধিত পুরনিগম এলাকা ও এলাকাবাসীর উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমান পুরনিগমের দু’বছরেই নিগম এলাকার উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি রূপায়িত হয়েছে।
আগামীদিনগুলিতে আগরতলা পুরনিগম এলাকার উন্নয়নে আরও কর্মসূচি রূপায়িত হবে। তিনি সর্বস্তরের জনগণকে সরকারের পাশে থেকে উন্নয়ন কর্মসূচির বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আগরতলা পুরনিগমের উত্তর জোনের চেয়ারম্যান প্রদীপ চন্দ।
অনুষ্ঠানে বিকশিত ভারত সংকল্প যাত্রা ও প্রতি ঘরে সুশাসন অভিযানের শপথ বাক্য পাঠ করান পুরনিগমের কর্পোরেটর শর্মিষ্ঠা বর্ধন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুরনিগমের কর্পোরেটর মিত্রারাণী দাস, কর্পোরেটর জগদীশ দাস, কর্পোরেটর হীরালাল দেবনাথ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে উজ্জ্বল, সুরসি, সোনালি এই তিনটি স্বসহায়ক দল ও ১টি এলাকাভিত্তিক ফেডারেশনকে ভালো কাজ ও কাজের স্বচ্ছতার জন্য শংসাপত্র দেওয়া হয়। মেয়র দীপক মজুমদার সহ অন্যান্য অতিথিগণ তাদের হাতে সেই শংসাপত্রগুলি তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আগরতলা পুরনিগমের উত্তর জোনের সহকমিশনার মহেন্দ্র কাম্বে চাকমা।
বিকাশ শিবিরে কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তর থেকে ১০০ জনকে বিভিন্ন ফলের চারা, ৫ জনকে উচ্চফলনশীল ধানবীজ, ১টি স্বসহায়ক দলকে মাশরুম বীজ দেওয়া হয়েছে। প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তর থেকে ২০০ জনকে বিভিন্ন পশুপাখির ঔষধ দেওয়া হয়। এছাড়া সদর মহকুমা প্রশাসন থেকে ৩৬ জনকে পিআরটিসি, ১০ জনকে ইনকাম, ১১ জনকে ওবিসি, ১০ জনকে এসসি, ১০ জনকে ম্যারেজ, ১ জনকে এসটি সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড দেওয়া হয়েছে ১৩ জনকে।

প্রতি ঘরে সুশাসন ২.০ অভিযান পুরনিগমের উত্তর জোনভিত্তিক বিকাশ শিবির
Tags:


















