নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৭ জুলাই৷৷ নেশা সামগ্রী বিক্রেতা তার বিরুদ্ধে সরব হয়ে আক্রান্ত হলো উদয়পুরের মহারানী এলাকার বাসিন্দা ইমাম মিয়া৷ আক্রান্ত ইমাম মিয়া এক পক্ষ কাল প্রথমে গোমতী জেলা হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে আগরতলা জিবি হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গিয়ে অভিযুক্ত আক্রমণকারী নেশা কারবারীদের বিরুদ্ধে আর কে পুর থানায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করেছেন৷ রাজ্য সরকার রাজ্যকে নেশা মুক্ত রাজ্য হিসেবে গঠন করার নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করলেও বাস্তবে সেই পরিকল্পনা রীতিমতো ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে৷ ভয়ংকর নেশার কবলে হাবুডুবু খাচ্ছে যুবসমাজ৷ শুভ বুদ্ধিসম্পন্ন ও সচেতন নাগরিকদের মধ্যে যারা নেশা কারবারি এবং নেশাখোরদের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন তারাই আক্রমণের শিকার হচ্ছেন৷ পুলিশ সব কিছু জেনেশুনেও অদৃশ্য কারণে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে চলেছে৷
নেশা কারবারি ও নেশাখোরদের বিরুদ্ধে থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বদলে যে অভিযোগ জানান তার নামধাম চলে যায় নেশা কারবারি ও নেশাখোরদের কাছে৷ পুলিশের একাংশের সঙ্গে নেশা কারবারিদের যোগ সূত্রের কারণেই এ ধরনের কার্যকলাপ অব্যাহত রয়েছে৷ প্রকৃতপক্ষে যাদের হাতে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে তারাই যেন ভক্ষকের ভূমিকা পালন করে চলেছে৷ এ ধরনের কার্যকলাপ অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না৷ নেশা কারবারীদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে গিয়ে গত একুশে জুন গোমতী জেলার উদয়পুরের মহারানী এলাকার বাসিন্দা ইমাম মিয়া নেশা কারবারিদের হাতে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ ১৫ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকতে বাধ্য হয়েছেন৷
হাসপাতাল থেকে খানিকটা সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে অভিযুক্তদের নামধাম উল্লেখ করে আরকেপুর থানায় ইমাম মিয়া অভিযোগ দায়ের করেছেন৷ আর কে পুর থানার পুলিশ এ ব্যাপারে একটি মামলা গ্রহণ করেছে৷ তবে এখনো পর্যন্ত অভিযুক্তদের গ্রেফতারের কোন সংবাদ নেই৷ অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং কঠোর শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে৷ পাশাপাশি ওই এলাকায় যাতে নেশা কারবারি ও নেশাখোরদের উৎপাত বন্ধ করা যায় সেজন্য পুলিশকে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে৷



















