নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২২ মে৷৷ রেলপথে রাজ্য যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় এবং সড়কপথের ধরে যোগাযোগ ব্যবস্থায় কিছুটা অসুবিধার সৃষ্টি হওয়ায় এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একাংশের মজুতদার এবং অসাধু ব্যবসায়ী বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে৷ এ বিষয়ে প্রশাসন সতর্ক দৃষ্টি রেখে চলেছে৷ শুধু তাই নয় রাজ্যের বিভিন্ন বাজার হাটে এবং দোকানপাটে মেয়াদ উত্তীর্ণ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বিক্রি অব্যাহত রয়েছে৷
এধরনের মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী খেয়ে মানুষ নানা রোগে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর আশঙ্কা থাকে৷ রাজ্য সরকার খাদ্য দপ্তর কে নির্দেশ দিয়েছে এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য৷ গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন মহকুমা মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয় বাজার হাটে অভিযান শুরু হয়েছে৷ এর অংশ হিসেবেই কুমার ঘাটে অভিযান চালান মহকুমা প্রশাসনের কর্মকর্তারা৷ কুমারঘাট এ অভিযান চালিয়ে আটটি দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে মহকুমা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে৷
মহকুমা অফিস সূত্রে জানা গেছে কুমারঘাট বাজার এলাকার সহ পার্শবর্তী দোকানগুলিতে তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে৷ যেসব দোকান থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে সেই সব দোকানের মালিকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও মহকুমা প্রশাসন সূত্রে বলা হয়েছে৷মহকুমা শাসকের নেতৃত্বে প্রশাসনিক প্রতিনিধিদলটি কুমারঘাট এর বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালিয়ে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে চলেছেন বলেও জানা যায়৷ যেকোনো ধরনের নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী অধিক মূল্য যাতে ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের কাছ থেকে গ্রহণ করতে না পারে সে জন্য সতর্ক দৃষ্টি রেখে চলেছে মহকুমা প্রশাসক৷ ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি দোকান মালিক কে সতর্ক করা হয়েছে এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটানোর চেষ্টা করলে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে মহকুমা প্রশাসন সূত্রে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে৷ শুধু কুমারঘাট ত্থ৯ রাজধানী আগরতলা শহর সহ রাজ্যের বিভিন্ন বাজারগুলিতে দ্রব্যমূল্য রোদ এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্য সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করার জন্য প্রশাসনের তরফ থেকে এ ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে৷



















