নিজস্ব প্রতিনিধি, তেলিয়ামুড়া, ৪ মে৷৷ গত সোমবার তেলিয়ামুড়া শহরে রাজনৈতিক সংঘর্ষের জের ধরে তেলিয়ামুড়া থানায় তিনটি মামলা হয় যদিও এখনো পর্যন্ত দোষীদের গ্রেপ্তারের কোন খবর নেই৷ মঙ্গলবার বিকাল ৪ টা নাগাদ বিজেপি যুব মোর্চা রাজ্য কমিটির এক প্রতিনিধি দল তেলিয়ামুড়ায় আসেন৷ প্রতিনিধি দলে ছিলেন বিজেপি যুব মোর্চা রাজ্য কমিটির সহ-সভাপতি ভিকি প্রসাদ, যুব মোর্চা খোয়াই জেলা প্রভারি সৌমিত্র গোপ, যুব মোর্চা তেলিয়ামুড়া মন্ডল সভাপতি কিংকর দেবনাথ, যুব মোর্চা খোয়াই জেলা সভাপতি মানিক দেবনাথ৷
যুব মোর্চা রাজ্য কমিটির সহ-সভাপতি ভিকি প্রসাদের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি প্রথমে স্বরোপ রায়ের বাড়িতে যায়৷স্বরোপ রায় সোমবার কংগ্রেস দলের দুষৃকতীদের দ্বারা আহত হয়েছিল৷ পরে এই প্রতিনিধি দলটি যায় আহত সাংবাদিক রাহুল দাসের বাড়িতে৷ কারণ রাহুল দাসও কংগ্রেস দলের দুষৃকতীদের দ্বারা আহত হয়েছিল৷ এই প্রতিনিধি দলটি আহতদের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে খোঁজ খবর নেন৷
পরিশেষে প্রতিনিধি দলটি তেলিয়ামুড়া থানার ওসি নাড়ুগোপাল দেবের সাথে মিলিত হয়ে সোমবারের ঘটনার সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন এবং দোষীদের অতিসত্বর গ্রেফতারের দাবি জানান৷ পরে যুব মোর্চার রাজ্য কমিটির সহ-সভাপতি ভিকি প্রসাদ বলেন,,,, সোমবার কংগ্রেস ও সিপিআইএম দুষৃকতীরা যুব মোর্চার কর্মী এবং সাংবাদিকের উপর আক্রমণ করে৷ এই ঘটনার প্রসঙ্গ নিয়ে তিনটি মামলা হয় তেলিয়ামুড়া থানায়৷ তিনি এও জানান,আইন আমরা হাতে তুলে নেবো না, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আমরা লড়াই করব৷ সুস্থ ও শান্তির পরিবেশ বজায় রাখার জন্য যুব মোর্চার কর্মীরা ময়দানে থেকে কাজ করে যাবে৷ এদিকে, ৩রা মে অর্থাৎ সোমবার তেলিয়ামুড়া শহরে রাজনৈতিক সংঘর্ষে দিনভর ছিল উত্তপ্ত পরিস্থিতি৷
কিন্তু দুপুর,বিকাল গড়িয়ে রাত্রি হলেও দুষৃকতীদের সন্ত্রাস থামেনি৷ সোমবার রাতের কোনো এক সময় দুসৃকতিকারীরা তেলিয়ামুড়া শহরের বেশ কয়েকটি দোকান এবং শহরের পার্শবর্তী কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর চালায়৷ এতে ব্যবসায়ীরা যেরকম ক্ষতিগ্রস্ত হয় তেমনি কিছু কিছু বাড়িঘর ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷ এগুলো তেলিয়ামুড়া থানার নজরেও নেওয়া হয়৷ কিন্তু তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ দুষৃকতীদের গ্রেপ্তার করতে ব্যার্থ৷ এহেন পরিস্থিতিতে এক অজানা আতঙ্ক বিরাজ করছে গোটা তেলিয়ামুড়া শহরজুড়ে৷ এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে জনৈক এক দোকান মালিক জানায় তার ক্যাশ বাক্স থেকে আনুমানিক প্রায় ৫০,০০০ টাকা গায়েব৷ এবং তার দোকানের বিভিন্ন আয়ুর্বেদিক ঔষধ সহ দোকানের অন্যান্য সামগ্রী সবকিছু মিলিয়ে প্রায় এক থেকে দেড় লক্ষাধিক টাকার জিনিসপত্র রাতের অন্ধকারে নষ্ট করে দিয়েছে দুষৃকতকারীরা৷



















