নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১ ফেব্রুয়ারি৷৷ বরাবরের মতোই এই বাজেট দিশাহীন৷ বাজেটে কোনো নতুনত্ব নেই৷ ধনী ও গরিবের মধ্যে আরো পার্থক্য বাড়বে৷ আমজনতার জন্য কোনো কথা নেই এই বাজেটে৷ কর্পোরেট, পুঁজিপতিদের স্বার্থেই এই বাজেট৷ বেসরকারিকরণের রাস্তা পাকা করা হলো৷ আগরতলায় সিটু রাজ্য কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে এইভাবেই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন সিআইটিইউর রাজ্য সভাপতি তথা প্রাক্তন মন্ত্রী মানিক দে৷
তিনি অভিযোগ করে বলেন, এই বাজেটের মধ্যে বিমায় নিরাপত্তা থাকবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তীব্র দেখা দিয়েছে৷ চরম অর্থিক মন্দা থেকে দেশবাসীকে বাঁচানোর কোনো রাস্তা নেই বলে তিনি সংশয় প্রকাশ করেন৷ তিনি বলেন, দেশবাসীর জন্য বিশেষ করে কোভিড পরিস্থিতিতে যে সংকটে পরেছেন সাধারণ মানুষ ওইসব মানুষদের অর্থনৈতিক ভাবে সাহায্য করার জন্য বাজেটে কোন বক্তব্য নেই৷
প্রসঙ্গত, আগরতলার পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বাজেট ইস্যুতে এবং একই সাথে বিদ্যুৎ বিল বাতিল দাবিতে কর্মসূচি সংগঠিত করবে সিটু৷ অবশ্য ৩ ফেব্রুয়ারি গোটা দেশের সাথে রাজ্যেও সিটু কর্মসূচি পালন করবে৷ আগরতলায় প্রতিবাদ মিছিল এবং সভা সংগঠিত করা হবে৷ সেদিন বিদ্যুৎ বিল বাতিলের দাবিতে দেশের অন্যান্য জায়গায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার সাথে যুক্ত শ্রমিক, কর্মচারী, ইঞ্জিনিয়াররা ধর্মঘট আহ্বান করেছে৷ রাজ্যের ক্ষেত্রে সিটু প্রতিবাদ কর্মসূচি সংগঠিত করে সেই আন্দোলনকে সমর্থন করছে বলে এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে জানান মানিক দে৷
মানিক দে জানান, কৃষিতে একটা সময় পিছিয়ে পড়েছিলো দেশ৷তার সাথে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে৷ আর এই বিদ্যুৎ ব্যবস্থা যুক্ত হওয়ার ফলে কৃষিতেও বিপ্লব এসেছিলো৷ সেচ ব্যবস্থা সহ অনান্য ক্ষেত্রে বিদ্যুতের সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে যে উন্নতি হয়েছে এদিন এই বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন তিনি৷ মানিক দে’র দাবি, বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে উন্নতি হয়েছে বলেই এই সময়ের মধ্যে কৃষি ব্যবস্থায় অগ্রগতি এসেছে৷
অন্যদিকে, সিটু সাধারণ সম্পাদক শংকর প্রসাদ দত্ত বলেছেন, বিদ্যুৎ বিল ২০২০ কার্যকর হলে ভোক্তাদের প্রায় অধিক টাকা খরচ করতে হবে বিল মেটাতে গেলে৷ শুধু তাই নয়, বিদ্যুৎ বিল কিংবা খরচ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হবে যা গ্রাহকদের কাছ থেকে সংগ্রহ করবে৷ মানুষের স্বার্থের বিপক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে শংকর প্রসাদ দত্ত জানান৷ ৩ ফেব্রুয়ারি প্রতিবাদ বিক্ষোভ কর্মসূচি সংগঠিত হবে রাজ্যে৷



















