নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৯ অক্টোবর৷৷ এই প্রথম প্রতিমা নিরঞ্জনকে ঘিরে মহা আয়োজন হচ্ছে ত্রিপুরায়৷ মায়ের বিদায় থিমে বিসর্জন কার্নিভালের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে৷ আগামী শুক্রবার এই কার্নিভালের সূচনায় আসার কথা বিজেপির সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি সাংসদ জেপি নাড্ডা৷ ৪০টি ক্লাব সারিবদ্ধ হয়ে ওইদিন আগরতলার পোস্টফিস চৌমুহনি থেকে মায়ের প্রতিমা নিয়ে দশমীঘাটে বিসর্জনের জন্য রওয়ানা হবে৷ আজ সাংবাদিক সম্মেলনে এ-কথা জানিয়েছেন সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক৷
কার্নিভালকে ঘিরে আজ পশ্চিম ত্রিপুরার জেলাশাসকের কার্যালয়ে কনফারেন্স হল-এ এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ বৈঠকে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে৷ কমিটি কার্নিভালের যাবতীয় সমস্ত আয়োজন করবে৷ ওই কমিটির চেয়ারপার্সন সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক৷ তাছাড়া বাকি সদস্যরা হলেন, রাজীব ভট্টাচার্য, অমিত রক্ষিত, বাহারুল ইসলাম মজুমদার, পাপিয়া দত্ত, ভিক্টর সোম, ড় অলোক ভট্টাচার্য, সুনিত সরকার, অরুণাভ নন্দী এবং অচিন্ত্য ভুইয়াঁ৷

প্রতিমা ভৌমিক আজ জানিয়েছেন, আগামী শুক্রবার বিকেল ৪-টা থেকে প্রতিমা নিয়ে পোস্টফিস চৌমুহনি থেকে আগরতলার ক্লাবগুলি দশমীঘাটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবে৷ প্রত্যেক ক্লাবের সর্বাধিক ৪০ জন সদস্য প্রতিমা নিরঞ্জনে অংশ নিতে পারবেন৷ তিনি জানান, ওই কার্নিভালকে সর্বাঙ্গসুন্দর করে তোলার জন্য জেলা প্রশাসন, ট্রাফিক দফতর এবং ৫০০ সিভিক ভলান্টিয়ার সহযোগিতা করবেন৷ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে রাখা থেকে শুরু করে ভিড় সামলানো, এমন-কি প্রতিমা নিয়ে হাজির ক্লাবগুলিকেও সবরকম সহায়তা করবেন তাঁরা৷
প্রতিমা ভৌমিকের বক্তব্য, এখন পর্যন্ত ৩০টি ক্লাব ওই কার্নিভালে অংশ নিচ্ছেন বলে তালিকা তৈরি হয়েছে৷ আরও ১০টি ক্লাব কার্নিভালে অংশ নেওয়ার জন্য আগামীকালের মধ্যে নাম নথিভুক্ত করতে পারবে৷ তবে, ৪০টি ক্লাবের ঊধর্ে ওইদিন ওই সময় অন্য কোনও ক্লাবকে প্রতিমা বিসর্জনের অনুমতি দেওয়া হবে না৷


















