নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৭ আগষ্ট৷৷ পর পর দুই দিনে মহকুমার উত্তর ও দক্ষিণে পরকীয়া সম্পর্খের জেরে দুজনের মৃত্যু হয়েছে৷ উভয় ঘটনাই
দৃশ্যত দেখা যায় ফাঁসিতে ঝুলন্ত৷ কিন্তু মৃতদের বাড়ির লোকজনদের দাবী উভয় ক্ষেত্রেই পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে তাদের৷ ঘটনার বিবরণ থেকে জানা গেছে, যাত্রাপুর থানাধীন ভবানীপুর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার মৃত্য হয় জনৈক ভুলন দাসের (৫০)৷ পাড়ার এক মহিলার ঘরেই তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে৷ স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিবাহিত ও চার সন্তানের বাবা ভুলন দাসের সাথে বিবাহিত এবং একাধিক সন্তানও স্বামী থাকা ওই মহিলার অবৈধ সম্পর্ক ছিল প্রায় এক যুগ ধরে৷ যা নিয়ে গ্রামে চর্চাও হত৷ স্ত্রী’র এই চারিত্রিক অধঃপতনের লজ্জায় মহিলার স্বামী ভবানীপুরে না থেকে নলছরেই থাকতেন৷ আরও জানা গেছে, গত শনিবার সন্ধ্যার পর ভুলন দাস অবৈধ সম্পর্কিতা এই মহিলার বাড়িতে যায় অন্যান্য দিনের মতো৷ সেখানে উভয়ের মধ্যে কোন বিষয় নিয়ে ঝগড়াঝাঁটিও হয়৷ একটা সময় মহিলা তার ঘর থেকে বের হয়ে পাশে থাকা তার বাবার বাড়িতে চলে যায়৷ কিছুক্ষণ পর তিনি ঘরে এলে এবং দেখে ঘরের ভিতর ঝুলে রয়েছে ভুলন দাস৷ খবর পেয়ে পুলিশ এসে মৃতদেহ নিয়ে যায়৷ গ্রামে বিষয়টি জানাজানি হলে মৃতের পরিবারে ক্ষোভ দেখা দেয় মহিলার উপর৷ এইদিকে উত্তেজনার আঁচ পেয়ে পুলিশ মহিলাকে থানায় নিয়ে যায়৷ মৃত ভুলন দাসের ভাই সুজিত দাসের অভিযোগ তার দাদাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে৷ সে থানায় অভিযোগ লিখিতভাবে জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে৷ অপর ঘটনায়, সোনামুড়া থানাধীন পশ্চিম আরালিয়া গ্রামে পারুল আক্তার নামে এক বিবাহিতা যুবতির ঝুলন্ত মৃতদেহ পাওয়া যায় রাবার বাগানে৷ জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার থেকে এই যুবতি নিখোঁজ ছিলেন৷ মৃতার মা বাবার অভিযোগ কুলুবাড়ি গ্রামের সফিক মিয়াঁ তাদের মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রেখেছে৷ এ সম্পর্কে সোনামুড়া থানায় একটি অভিযোগও লিপিবদ্ধ করা হয়েছে৷


















