নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৯ জানুয়ারি৷৷ ব্যাচেলার অফ ভোকেশনাল স্টাডিজ কোর্সে ছাত্রছাত্রীদের পঠনপাঠনে মানোন্নয়ন নিয়ে কোন বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ জানায় না ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়৷ তাই এনএসডিসি’র (ন্যাশনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন) পূর্বোত্তরের প্রধান ডা স্বপ্ণা পুটি চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন৷ তিনি জানান, এনএসডিসি’র তরফে বহুবার ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি ঐ কোর্সে আরো জ্ঞান অর্জনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে৷ কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এনএসডিসি’র কোন কথাই এখনো পর্যন্ত বুঝে উঠতে পারেনি৷ শুধু তাই নয়, বিশেষজ্ঞ পাঠানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়েও ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় এনএসডিসি’র কাছে এখনো পর্যন্ত কোন আগ্রহ প্রকাশ করেনি৷
তিনি জানান, এনএসডিসি সর্বক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে এধরনের কোর্সে সহায়তা করে আসছে৷ কারণ, বিশেষজ্ঞদের ছাড়া ঐ কোর্সে সঠিক পঠনপাঠন সম্ভব নয়৷ ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এবিষয়ে উদাসীনতা এনডিসিকে ভীষণ চিন্তায় ফেলেছে, হতাশার সুরে ডা পুটি জানিয়েছেন৷ তিনি জানান, ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ২০১৫ সালের জুন মাসে দক্ষতা বিকাশ সংশ্লিষ্ট কোর্স’র চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে৷ সে কারণেই এনএসডিসি ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের ঐ কোর্সের পঠনপাঠনের ক্ষেত্রে বিশেষ আগ্রহ দেখাচ্ছে৷
উল্লেখ্য, ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় আরো তিনটি কোর্স শুরু করেছিল৷ মাশরুম কাল্টিভেশন, ট্রেভেল এন্ড ট্যুরিজম এবং ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট এন্ড মেইনটেন্স এই তিনটি কোর্স চালু করার পরই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল সমালোচনার মুখে পড়ে৷ এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্যাচেলার অফ ভোকেশনাল ডিগ্রি ইন ফিল্ম এন্ড ভিডিও প্রোডাকশন এবং রাবার প্রোডাকশন এই দুটি কোর্সে ইউজিসি ১৬ কোটি টাকা প্রথম পর্যায়ে বরাদ্দ করেছে৷ এই সমস্ত বিষয় থেকে একথা স্পষ্ট যে, ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্স চালানোর ক্ষেত্রে অর্থের কোন ঘাটতি নেই৷ কেবল প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণে ছাত্রছাত্রীরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন৷ ফলে তাদের ভবিষ্যতও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে৷
2017-01-20