নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৬ জানুয়ারি৷৷ রোগীদের চিকিৎসা করতে যাওয়ার আগে চিকিৎসকদের যোগ্যতার পরীক্ষা দিতে

হবে৷ তাতে দেশে চিকিৎসক স্বল্পতা আরো বাড়বে বলে দাবি করেন শিক্ষামন্ত্রী তপন চক্রবর্তী৷ সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল কাউন্সিল বিলের সংশোধনী সংসদে পাশ করিয়েছে৷ তাতে বলা হয়েছে, ডাক্তারি পাশ করার পর রোগীদের চিকিৎসা শুরু করার আগে চিকিৎসকদের যোগ্যতার পরীক্ষা দিতে হবে৷ এমবিবিএস ডিগ্রি নেওয়ার পর ইন্টার্নশিপ শেষ করে ন্যাশনাল এক্সিট টেস্ট এ উত্তীর্ণ হতে হবে চিকিৎসকদের৷ তবেই ডাক্তারির ছাড়পত্র মিলবে৷ শিক্ষামন্ত্রী এবিষয়ে বলেন, এমনিতেই গোটা দেশেই চিকিৎসকদের ঘাটতি রয়েছে৷ কেন্দ্রের এই নয়া সিদ্ধান্তে চিকিৎসকদের ঘাটতি আরো বাড়বে বলেই তিনি মনে করেন৷ শুক্রবার আগরতলায় রবীন্দ্রশতবার্ষিকী ভবনে ফিজিশিয়ান এসোসিয়েশনের সম্মেলনে এই কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী৷
এদিন তিনি বলেন, দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ চিকিৎসা পরিষেবা সঠিকভাবে পাচ্ছেন না৷ গোটা দেশেই চিকিৎসকদের ঘাটতি ক্রমেই মারাত্মক আকার ধারণ করেছে৷ ফলে, চিকিৎসা পরিষেবা সঠিকভাবে দেওয়া সম্ভব হয়ে উঠছে না৷ এরই পাশাপাশি চিকিৎসা ক্ষেত্রে বাণিজ্যকীকরণ স্বাস্থ্য পরিষেবায় বিরাট পার্থক্য গড়ে দিচ্ছে৷ কেন্দ্রীয় সরকারের চিকিৎসা পরিষেবায় বাণিজ্যকীকরণ বেসরকারি হাসপাতালগুলির ব্যবসায় শ্রীবৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে৷ তাতে, চিকিৎসা খরচ ক্রমাগত বেড়ে চলেছে৷ এবিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, বাজেটেও চিকিৎসাখাতে খরচ কমিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার৷ ফলে, চিকিৎসা পরিষেবা সাধারণ জনগণের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে৷ এর জন্য এখন নতুনভাবে ভাবনাচিন্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে শিক্ষামন্ত্রী মনে করেন৷
এদিন এই সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইন্ডিয়ান কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস এর ডিন ডাঃ এ মুরোগানাথন সহ অন্যান্যরা৷