নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৪ জানুয়ারি৷৷ রাজ্যে ঘাটতি রয়েছে আইএএস এবং আইপিএস অফিসারের৷ এজন্যই কি বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের ব্যর্থতা, সেই প্রশ্ণ উঠেছে৷ জানা গেছে, রাজ্যে বর্তমানে যতজন আইপিএস অফিসারের প্রয়োজন রয়েছে সেখানে ঘাটতি রয়েছে৷ আইএএস অফিসারদেরও ঘাটতি রয়েছে রাজ্যে৷ চাহিদা অনুসারে ৮৯ জন আইএএস অফিসার প্রয়োজন৷ কিন্তু তাতে ২০ শতাংশ ঘাটতি রয়েছে৷ এক্ষেত্রে প্রশ্ণ উঠেছে পুলিশ ও সাধারণ প্রশাসনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যর্থতার জন্য উচ্চস্তরের আধিকারিকদের ঘাটতি কি দায়ী?
বর্তমানে রাজ্যে আইএএস অফিসারদের একেকজনকে একাধিক দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে৷ কোন কোন আইএএস অফিসারের কাঁধে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দপ্তরের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে৷ মূলত, রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা এবং প্রশাসনিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আইএএস অফিসাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন৷ কেন্দ্রীয় প্রকল্প আমদানি এবং তা রাজ্যে রূপায়ণের ক্ষেত্রে আইএএস অফিসারদের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে৷ কিন্তু একাধিক দপ্তরের দায়িত্ব একজন অফিসারের কাঁধে ন্যস্ত করা হলে কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটাই স্বাভাবিক৷
একইভাবে আরক্ষা প্রশাসনকে শক্তিশালী করে তোলার ক্ষেত্রে আইপিএস অফিসাররাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন৷ আরক্ষা প্রশাসনকে আধুনিকীকরণ এবং শক্তিশালী করে তুলতে নিত্যনতুন আধুনিক কৌশল অবলম্বন করে তা রূপায়ণ করার ক্ষেত্রে আইপিএস অফিসাররাই ভূমিকা নিয়ে থাকেন৷ এক্ষেত্রেও যথেষ্ট পরিমাণে আইপিএস অফিসারের অভাব রাজ্যের আরক্ষা প্রশাসনকে দেশের মধ্যে আদর্শ হিসেবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে৷
জানা গেছে, আগামী মার্চ নাগাদ রাজ্যে নতুন তিনজন আইএএস অফিসার আসছেন৷ এছাড়া দুইজন আইপিএস এবং দুইজন আইএফএস অফিসার আসছেন৷ এদিকে, রাজ্যের বর্তমান মুখ্যসচিব যশপাল সিং আগামী ৩১ জানুয়ারি অবসরে যাচ্ছেন৷ তাঁর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন সঞ্জীব রঞ্জন৷ তিনি বর্তমানে কেন্দ্রীয় মহাসড়ক ও ভূতল পরিবহনমন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব এবং অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পদে কর্মরত৷ তিনি ১ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব নেবেন৷
2017-01-05