নিজস্ব প্রতিনিধি, চড়িলাম, ৫ জুন৷৷ শুক্রবার সকালে বিশালগড় থানাধীন পূর্ব লক্ষীবিল এলাকার জীবন বনিকের মৃত্যুর রেশ না কাটতেই শনিবার রাতে বিশালগড় রঘুনাথপুর এলাকার ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বাবলি চৌধুরী লস্কর নামে এক মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করে বিশালগড় থানার পুলিশ৷ রোমহর্ষক ঘটনার অভিযোগ একমাত্র ছেলের হাতে নৃশংসভাবে খুন হলো জন্মদাত্রী মা৷ মৃতার নাম বাবলি চৌধুরী লস্কর৷ অভিযুক্ত ছেলে তুষার লস্কর৷ বয়স আনুমানিক আটাশ৷
শনিবার রাতে ঘরের দরজা ভেঙে মৃতদেহ উদ্ধার করে বিশালগড় থানা এবং মহিলা থানার পুলিশ৷ কাকতালীয়ভাবে মৃতার মাথায় পাশ থেকে ছেলে তুষারকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ৷ এলাকায়৷ বিস্তারিত জানালেন অভিযুক্তের বোনের মেয়ে রুপালি মজুমদার৷ঘটনার বিবরনে জানা যায় গত সাত বছর আগে স্বামী বিমল লস্কর মৃত্যু হয়৷ স্বামীকে হাড়িয়ে একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বেঁচে আছেন বাবলি লস্কর৷
এলাকাবাসীরা জানান ছেলে তুষার লস্কর সবসময়ই নেশায় আসক্ত হয়ে থাকে, অন্য কয়েকজন ছেলের মতো নেই কোন বন্ধু বান্ধব, ঘর থেকে তেমন বাইরে বের হয় না বলে জানায়৷ তাছাড়া প্রায়শই নেশা করার জন্য টাকা নিয়ে মায়ের সাথে ঝগরা করতো বলে জানায়৷ গত শুক্রবার থেকেই তাদের বাড়ি থেকে কোনরকম আওয়াজ পাচ্ছিলনা বলে জানায় পাশ্ববর্তীরা, নেশা কাটার পর ছেলে তুষার লস্কর শনিবার বিকেল থেকেই মাকে ডাকাডাকি শুরু করে কোনরকম সাড়া না পেয়ে কান্নাকাটি করতে দেখে সানীয়দের সন্দেহ হওয়াতে খবর দেয় বিশালগড় মহিলা থানায়৷ মহিলা থানার ওসি শিউলি দাস ঘটনাস্থলে গিয়ে গেইট বন্ধ থাকাতে অন্য দিক দিয়ে বাড়ির ভেতরে ঢুকে৷ বাড়িতে গিয়ে দেখতে পায় মৃত মায়ের সামনে বসে রয়েছে ছেলে তুষার লস্কর৷ তখন বুঝার আর বাকি ছিলনা পুলিশ ও এলাকাবাসীদের৷ বোন মিতালী মজুমদার জানায় নেশার টাকার জন্য মাকে খুন করে তার ভাই৷ পুলিশ মায়ের মৃতদেহের সামনে থেকে ছেলেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে৷ ঘটনায় তীব্র চানল্য ছড়িয়েছে গোটা রঘুনাথপুর এলাকায়৷


















