নয়াদিল্লি, ২৫ ডিসেম্বর (হি.স.): শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিচয়ে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি তিনি। জীবন ও জীবনবোধের বিভিন্ন শাখায় নিজের প্রতিভাকে বিকশিত করেছেন। হিন্দি সাহিত্যের মরমি কবি থেকে প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাসের মনোযোগী ছাত্র। আবার রাজনীতির ময়দানের তুখোড় বক্তা। তিনি ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী। সোমবার ৯৩ তে পা দিলেন বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ। তাঁর জন্মদিন উপলক্ষ্যে সোশ্যাল মিডিয়া ট্যুইটারে ট্যুইট করে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মালা সীতারমনসহ একাধিক নেতা। এক শুভেচ্ছাবার্তায় রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ বলেন, ‘আমাদের সবার প্রিয় এবং শ্রদ্ধেয় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শ্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীকে শুভেচ্ছা জানাই।’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ট্যুইট বার্তায় বলেন, ‘আমাদের অত্যন্ত প্রিয় অটলজিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাই। তাঁর বিষ্ময়কর একই সঙ্গে দূর দৃষ্টি সম্পন্ন নেতৃত্বে ভারত কে অনেক উন্নতি করেছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের সম্মান অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। আমি তাঁর ভাল স্বাস্থ্যের জন্য প্রার্থনা করি। অন্যদিকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারমন জানিয়েছেন, তাঁর নেতৃত্ব অনুপ্রাণিত করে। জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা।’
উল্লেখ্য বিজেপির সহ-প্রতিষ্ঠাতা হলেন অটলবিহারী বাজপেয়ী। মাত্র ২ টি আসন থেকে আজ কংগ্রেসকে সরিয়ে গোটা ভারতের সবচেয়ে বড় দল হলো বিজেপি এবং তা সম্ভব হয়েছে অটলবিহারী বাজপেয়ীর জন্যই। ১৯৯৬ সালে প্রথম বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হন তিনি। মাত্র ১৩ দিন ক্ষমতায় ছিলেন । পরে ১৯৯৮ থেকে ১৯৯৯ পর্যন্ত ১৩ মাস ক্ষমতায় থাকার পরে ফের লোকসভা নির্বাচনে জিতে প্রধানমন্ত্রী হন তিনি। অটলবিহারী বাজপেয়ী হলেন প্রথম অকংগ্রেসি প্রধানমন্ত্রী যিতি ৫ বছর মেয়াদ পূর্ণ করেছিলেন। এছাড়াও সাতবার লোকসভার সাংসদ নির্বাচিত হন তিনি। ২০১৪ সাল থেকে প্রতি বছর তাঁর জন্মদিন অর্থাৎ ২৫ শে ডিসেম্বরকে গুড গভর্নেন্স ডে হিসেবে পালিত করে কেন্দ্রীয় সরকার। সম্প্রতি তাঁকে ভারতরত্ন সম্মানে সম্মানিত করা হয়। ১৯২৪ সালের আজের দিনে জন্মগ্রহণ করেন অটলবিহারী বাজপেয়ী।


















