নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৯ মার্চ৷৷ বিজেপির প্রতিবাদ মহা সমাবেশকে ঘিরে সারা রাজ্যে জোরদার প্রস্তুতি চলছে৷ শুক্রবার

এই প্রতিবাদ মহা সমাবেশে আসামের মুখ্যমন্ত্রী সহ সেই রাজ্যের অর্থমন্ত্রী এবং পূর্বোত্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা আসছেন৷ বিজেপি সূত্রে জানা গেছে, সাংসদ রামবিচার নেতম দলীয় কাজে ব্যস্ত থাকায় আগামীকাল এই প্রতিবাদ মহাসমাবেশে অংশ নিতে পারছেননা৷ তবে, আসামের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়াল, অর্থমন্ত্রী ডা হেমন্ত বিশ্ব শর্মা, পূর্বোত্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা রামমাধব আগামীকাল দুপুরে বিশেষ বিমানে আসছেন৷ আসাম বিধানসভায় এখন অধিবেশন চলছে৷ আগামীকাল অধিবেশনের অন্তিম দিন৷ অধিবেশনের প্রথমার্ধ মুলতবি হওয়ার পরই আসামের মুখ্যমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রী ত্রিপুরার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন৷
এদিকে, কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির ডাকা আগামীকালের প্রস্তাবিত জমায়েতকে ঘিরে ত্রিপুরা পুলিশের ব্যাপক দৌঁড়ঝাপ শুরু হয়েএছ৷ পুলিশ প্রশাসন কোন ধরনের ঝঁুকি নিতে রাজি নয়৷
গত দুই দিন যাবত পুলিশের শীর্ষ স্থানীয় আধিকারীকরা বেশ কয়েক দফা বৈঠক করেছেন৷ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই পুলিশ আধিকারীকরা আগরতলা বিমানবন্দর থেকে শুরু করে সভাস্থল বিবেকানন্দ ময়দান পর্যন্ত বিভিন্ন অংশ কোথায় কিভাবে সুরক্ষা বাহিনী মোতায়েন করবেন তা ক্ষতিয়ে দেখেছেন৷ জানা গেছে, আজ সকালেই বিবেকানন্দ ময়দানের দায়িত্ব তাঁদের হাতে তুলে নিয়েছেন৷ ময়দানের সর্বক্ষণের জন্য সুরক্ষা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে৷ এক পুলিশ আধিকারীক জানিয়েছেন দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া্য বিজেপির বর্ষীয়ন নেতারা এই সভায় যোগ দিতে আসছেন৷ ফলে নিরাপত্তার সংক্রান্ত বিষয়ে কোন ধরনের খামতি থাকবে না৷
এদিকে, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলীয় কর্মী সমাগমের বিরাট আয়োজন করেছে বিজেপি৷ উত্তর, ধলাই এবং ঊনকোটি জেলার বিজেপি কর্মীরা রেলে করে যোগেন্দ্রনগর স্টেশনে এসে নামবেন৷ সেখান থেকে মিছিল করে বিবেকানন্দ ময়দানে আসবেন৷ তাছাড়া গোমতী ও দক্ষিণ জেলার কর্মীদেরও বাসে করে আগরতলায় নিয়ে আসার ব্যবস্থা করেছে বিজেপি৷ খোয়াই জেলা থেকেও বাসে করে কর্মীদের আনা হবে৷ সকলকে পুরাতন জেল আশ্রম রোডে মাঠ থেকে মিছিল করে বিবেকানন্দ ময়দানে নিয়ে যাওয়া হবে৷ এদিকে, রাজ্যের বিভিন্ন জেলার কর্মকর্তারা ইতিমধ্যেই আগরতলায় এসে গেছেন৷

