নয়াদিল্লি, ৪ অক্টোবর (আইএএনএস): ভারতীয় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্চারের সাহসিকতার ঘটনায় গান্ধী পরিবারের নীরবতা নিয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানাল বিজেপি। বিজেপির অভিযোগ, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব নীরব রয়েছে।
সম্প্রতি ফ্লাইদুবাইয়ের এফজেড১০৭৩ বিমানে সহ-পাইলটের হামলার পরও সাহসিকতার সঙ্গে পরিস্থিতি সামলে ১৭০-র বেশি যাত্রীর প্রাণ বাঁচান ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্চার। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি বিমানটিকে সৌদি আরবের তাবুকে ঘুরিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হন।
রবিবার সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপি সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, এমন গর্বের মুহূর্তেও কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছ থেকে ক্যাপ্টেন স্মিতের জন্য কোনও বক্তব্য বা সামাজিক মাধ্যমে কোনও বার্তা আসেনি। তিনি কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরার নাম উল্লেখ করে তাঁদের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
গাজা প্রসঙ্গে রাহুল গান্ধীর বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমের পোস্টের প্রসঙ্গ তুলে ত্রিবেদী অভিযোগ করেন, ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির কারণে ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্চারের ঘটনা নিয়ে কংগ্রেস নেতৃত্ব নীরব রয়েছে।
তিনি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদীদের প্রতি নরম মনোভাবের অভিযোগ তুলে জাকির নায়েক, আফজল গুরু, বুরহান ওয়ানি এবং ইয়াকুব মেমনের প্রসঙ্গও টেনে আনেন। পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের নতুন ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট হিসেবে সাংসদ ইমরান মাসুদের নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
ত্রিবেদী বলেন, ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে ইমরান মাসুদের বিতর্কিত মন্তব্যের পরও রাহুল গান্ধী তাঁর নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিয়েছিলেন। পরে তাঁকে কংগ্রেসে নিয়ে আসা এবং বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও বিজেপি নেতা প্রশ্ন তোলেন।
উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেসের নতুন সভাপতি আরাধনা মিশ্রের নিয়োগ নিয়েও আপত্তি জানান ত্রিবেদী। তাঁর দাবি, এমন একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছিল যেখানে তাঁকে দলের কর্মীদের ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিতে বাধা দিতে দেখা যায়।
________
























