নয়াদিল্লি, ৩ অক্টোবর (আইএএনএস): তুরস্ক থেকে মাদক পাচার চক্রের অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত নবপ্রীত সিংকে ভারতে ফিরিয়ে আনার ঘটনাকে ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ হিসেবে উল্লেখ করে মোদী সরকারের প্রশংসা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ শাহ জানান, তুরস্কের নাগরিকত্ব নেওয়ার সময় নবপ্রীত সিং ‘নবাব ভির্ক’ নামে ভুয়ো পরিচয় ব্যবহার করেছিলেন।
শাহ বলেন, আফগানিস্তান থেকে ভারতে হেরোইন ও মেথামফেটামিন পাচার চালিয়ে যাচ্ছিলেন নবপ্রীত। ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর তাঁর আসল পরিচয় শনাক্ত করে এবং তুরস্ক থেকে তাঁকে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ভারতে ফেরানোর পর মাদক পাচারসহ বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত নবপ্রীত সিংকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। এই অভিযানে যুক্ত সমস্ত তদন্তকারী সংস্থাকে অভিনন্দন জানান তিনি। শাহ আরও বলেন, ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিটি মাদক পাচারকারী চক্র ধ্বংস করার বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে গ্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও মাদক পাচারের সন্দেহভাজন মহম্মদ সেলিম ডোলাকে তুরস্ক থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। মে মাসে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই)-র সমন্বয়ে ৩৫৮ কেজি হেরোইন উদ্ধারের একটি বড় মাদক মামলায় অভিযুক্ত পলাতক প্রভদীপ সিংকেও আজারবাইজান থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়।
ভারত ও তুরস্কের মধ্যে ২০০১ সালে প্রত্যর্পণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা ২০০২ সালের জুনে কার্যকর হয়। এই চুক্তির আওতায় সন্ত্রাসবাদ ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত পলাতকদের একে অপরের দেশে হস্তান্তরের সুযোগ রয়েছে। এ ধরনের ক্ষেত্রে ইন্টারপোলের রেড নোটিস-সহ নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়াও ব্যবহার করা হয়।



















