নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১ অক্টোবর: সাধারণ মানুষকে সমস্যায় না ফেলে যাতে নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরী করা যায় সেজন্য সমস্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আজ সন্ধ্যায় পশ্চিম জেলার জেলাশাসক ডা. বিশাল কুমার তাঁর অফিস কক্ষে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন। তিনি এসআইআর-এর প্রস্তুতি সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ নির্দেশাবলী সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ভোটার তালিকা থেকে কোন যোগ্য নাগরিকের নাম যাতে বাদ না যায় এবং কোন অযোগ্য ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হয় সে লক্ষ্যে চলতি মাসের ২৭ তারিখ থেকে রাজ্যে এসআইআর-এর প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ নির্দেশাবলী অনুযায়ী খসড়া ভোটার তালিকায় কারোর নাম না থাকলেও তার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাবে না। কোন ব্যক্তির নাম ম্যাপিং না হওয়ায় বা যৌক্তিক অসংগতির কারণে নোটিশ জারি করা হলে তাকে শুনানির জন্য ইআরও/এআরও-র কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হতে হবে না।
সংশ্লিষ্ট বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও) ওই ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করবেন এবং ইআরও/এআরও-র সিদ্ধান্তের জন্য তা ইসিআই নেটে আপলোড করবেন। ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে ইআরও/এআরও যদি শুনানী প্রয়োজনীয় বলে মনে করেন সেক্ষেত্রে সুবিধাজনক ও উপলব্ধ যোগাযোগের মাধ্যমে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে অনলাইনে শুনানী করা হবে। প্রয়োজনে ভোটার তার পরিবারের কোন প্রাপ্ত বয়স্ক সদস্যকে তার পক্ষে শুনানীতে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুমোদন করতে পারবেন।
জেলাশাসক জানান, এসআইআর চলাকালীন সময়ে গৃহহীন, শ্রমিক, নাইট শেল্টারে বসবাসকারী ব্যক্তি সহ সহায়তা প্রয়োজন এমন ভোটারদের সহায়তার জন্য জেলা নির্বাচনী আধিকারিকগণ পর্যাপ্ত পরিমাণে হেল্পডেক্স/বিশেষ শিবির খুলবেন। তিনি জানান, ফর্ম ৬ এর সঙ্গে যুক্ত কিক্লেরেশন ফর্ম শুধুমাত্র এসআইআর পর্যায়ে ব্যবহার করা হবে। এসআইআর বহির্ভুত সময়কালে রেজিস্ট্রেশন অব ইলেক্টর্স রুলস, ১৯৬০ অনুযায়ী নির্ধারিত ফর্ম সমূহই প্রযোজ্য হবে।



















