নয়াদিল্লি, ২৪ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): আসন্ন উৎসবের মরশুমে, বিশেষ করে দশেরা ও দীপাবলির সময় সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী দামে চিনি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার ও চিনি শিল্প একসঙ্গে কাজ করছে বলে জানিয়েছে ইন্ডিয়ান সুগার অ্যান্ড বায়ো-এনার্জি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (ইসমা)। বৃহস্পতিবার আইএএনএস-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইসমার ডিরেক্টর জেনারেল দীপক বল্লানি জানান, উৎসবের সময় চাহিদা বাড়লেও দেশে চিনির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা সরকারের পাশাপাশি শিল্পমহলের অগ্রাধিকার।
বল্লানি বলেন, “সরকার ও শিল্পমহল—আমরা বিশেষ করে উৎসবের মরশুমে ভোক্তাদের খুবই যুক্তিসঙ্গত দামে চিনি সরবরাহ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি জানান, সামনে দশেরা ও দীপাবলি-সহ একাধিক উৎসব রয়েছে। ফলে পর্যাপ্ত পরিমাণে এবং সাশ্রয়ী দামে বাজারে চিনি পাওয়া যাচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
ইসমার ডিরেক্টর জেনারেল বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে বর্তমানে চিনির সরবরাহ পর্যাপ্ত রয়েছে। একইসঙ্গে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্যও বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তাঁর দাবি, খুচরো বাজারে চিনির দাম ইতিমধ্যেই কিছুটা কমেছে এবং আগামী কয়েক সপ্তাহে তা আরও কমতে পারে।
বল্লানি জানান, চিনি উৎপাদনকারীদের কারখানা থেকে সরবরাহের দাম বা এক্স-মিল (Ex-mill) দাম এবং খুচরো বাজারের দামের মধ্যে সাধারণত কিছুটা সময়ের ব্যবধান থাকে। পাইকারি পর্যায়ে দাম কমার সুফল সরবরাহ শৃঙ্খলের বিভিন্ন স্তর পেরিয়ে খুচরো বাজারে পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগে।
তাঁর মতে, এক্স-মিল চিনির দাম ইতিমধ্যেই প্রায় ২৫-৩০ শতাংশ কমেছে। বর্তমানে সারা দেশে এক্স-মিল চিনির গড় দাম প্রতি কুইন্টালে প্রায় ৪,৪৫০ টাকা। ফলে বাজারে কম দামের এই প্রভাব ধীরে ধীরে খুচরো বাজারেও পড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বল্লানি বলেন, “এক্স-মিলের দাম ইতিমধ্যেই প্রায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ কমেছে। সারা দেশে গড় এক্স-মিল দাম এখন ৪,৪৫০ টাকা। তাই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে খুচরো দামও কমবে বলে আমি মনে করি।”
—আইএএনএস



















