নয়াদিল্লি, ২১ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): দিল্লির সদর বাজার এলাকায় ফের নাবালিকার উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ সামনে এল। পুলিশ জানিয়েছে, ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে একটি দোকানের ভিতরে আটকে রেখে হাত-পা বেঁধে যৌন নিগ্রহ করা হয়। ঘটনায় ৫৬ বছর বয়সি অভিযুক্ত দোকানদার মকসুদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নাবালিকা স্টেশনারি সামগ্রী কিনতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে এই ঘটনার বিষয়ে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ফোন আসে। খবর পেয়ে সদর বাজার থানার পুলিশ, সদর বাজারের এসিপি এবং মহিলা থানার আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেন।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, রাত প্রায় ১১টা নাগাদ স্টেশনারি কিনতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল ওই ছাত্রী। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্ত তাকে কাছের একটি দোকানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে আটকে রেখে হাত-পা বেঁধে যৌন নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ।
নাবালিকার অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তর জেলার মহিলা থানায় ধর্ষণ, শিশুদের যৌন অপরাধ থেকে সুরক্ষা আইন (পকসো) এবং বেআইনি আটকে রাখার মতো প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত মকসুদকে গ্রেফতারের পর আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে একই দিন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। ঘটনার আরও তদন্ত চলছে।
এর আগে দিল্লিতে এক কিশোরীকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনাও সামনে এসেছে। ওই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে তিনজন নাবালক। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা কিশোরীর দেহ উত্তর দিল্লির স্বরূপ নগর এলাকার কুশাক রোডের পাশে একটি খোলা জায়গায় ফেলে দিয়েছিল।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর ওই এলাকার একটি মাঠের কাছ থেকে কিশোরীর পচন ধরা দেহ উদ্ধার হয়। দেহের অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে প্রাথমিকভাবে পুলিশ তার লিঙ্গও শনাক্ত করতে পারেনি। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, অভিযুক্তদের সঙ্গে ওই কিশোরীর পরিচয় ছিল এবং তারা একটি টেম্পোতে একসঙ্গে যাতায়াত করছিল। যাত্রাপথে তারা মদ্যপান করে বলে অভিযোগ। এরপর কিশোরীকে যৌন নির্যাতন ও ছুরি দিয়ে খুন করে দেহ ফেলে দেওয়া হয় বলে পুলিশের দাবি।
তদন্তের পর ওই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
—আইএএনএস



















