নয়াদিল্লি, ১৮ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডিইউএসইউ) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালীন শুক্রবার বিক্ষোভ দেখাল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)। জাতীয় ছাত্র ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া (এনএসইউআই)-এর বিরুদ্ধে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলেছে এবিভিপি।
ডিইউএসইউ নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের সময় ল’ সেন্টারের বাইরে পুলিশি ব্যারিকেডের উপর উঠে স্লোগান দিতে দেখা যায় এবিভিপি সমর্থকদের। এনএসইউআইয়ের বিরুদ্ধে তাঁরা বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন।
এবিভিপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বীরেন্দ্র সিং সোলাঙ্কি আইএএনএসকে বলেন, এনএসইউআই সেখানে নির্বাচনে কারচুপির চেষ্টা করেছে বলেই এই বিক্ষোভ। তাঁর দাবি, এবিভিপির পক্ষে সমর্থন দেখে এনএসইউআই হতাশ হয়ে পড়েছে এবং ভুয়ো ভোট দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
সোলাঙ্কির অভিযোগ, “একজন ছাত্রী ভুয়ো পরিচয়পত্র নিয়ে ভিতরে গিয়ে ভোট দিচ্ছিলেন। তিনি স্বীকার করেছেন যে তিনি এনএসইউআইয়ের সঙ্গে যুক্ত এবং তাঁর মতো ১০০-রও বেশি মানুষ ভিতরে ঢুকেছেন।”
এই ধরনের অভিযোগে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে মামলা না হওয়া পর্যন্ত ল’ সেন্টারে ভোটগ্রহণ পুনরায় শুরু করতে দেওয়া হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।
এবিভিপির নেতার আরও অভিযোগ, ভুয়ো ভোট দেওয়ার জন্য স্লিপও বিলি করা হয়েছে। তাঁর দাবি, ওই স্লিপে এবিভিপির নামের সঙ্গে এনএসইউআইয়ের ব্যালট নম্বর দেওয়া ছিল। এমন স্লিপ বিলির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ডিইউএসইউ সভাপতি তথা এবিভিপি নেতা আরিয়ান মানও এনএসইউআইয়ের বিরুদ্ধে ভুয়ো পরিচয়পত্র ও ছবি ব্যবহার করে ভোট দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, ল’ সেন্টার-২-এর পড়ুয়া ভোটারদের সঙ্গে সুবিচার না হওয়া পর্যন্ত ল’ সেন্টার-১-এ ভোটগ্রহণ শুরু করতে দেওয়া হবে না।
এদিকে, ডিইউএসইউ নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর প্রার্থী, পড়ুয়া ও সমর্থকদের বিজয় মিছিল বের করার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে দিল্লি হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন ডিইউএসইউ সভাপতি। নির্দেশ অমান্য করলে ফৌজদারি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে এবং আদালত অবমাননার অভিযোগও উঠতে পারে বলে আদালতের নির্দেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে আরিয়ান মান বলেন, এবিভিপি নির্বাচনে জয়ী হলেও তারা কোনও বিজয় মিছিল করবে না।



















