নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৬ সেপ্টেম্বর: রাজ্য সরকার সাধ্যমত মানুষের কল্যাণে কাজ করছে এবং নানা সহায়তা করে যাচ্ছে। রাজ্যে বর্তমানে চিকিৎসা পরিকাঠামোর ও চিকিৎসা পরিষেবার আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। বর্তমানে রাজ্য থেকে বহিরাজ্যে রেফারেল রোগীর সংখ্যা অনেক কমেছে। চিকিৎসা সহায়তার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা ও মুখ্যমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার মাধ্যমে রাজ্যের মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। আজ মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু’র ৭২তম পর্বে আগত মানুষের চিকিৎসা সহ অন্যান্য সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন।
মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু’র ৭২তম পর্বে বিশালগড় মহকুমার শিবনগর থেকে এসেছিলেন উজ্জ্বলা বিশ্বাস (সরকার) তার কন্যা সন্তানের পায়ের জটিল রোগের চিকিৎসার সহায়তার জন্য। মুখ্যমন্ত্রী উজ্জ্বলা বিশ্বাসকে বলেন দিল্লিস্থিত এইমস হাসপাতালের সাথে টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে রাজ্যেই তার কন্যার উন্নত চিকিৎসা করা যাবে। এ বিষয়ে তিনি উজ্জ্বলা বিশ্বাসকে আশ্বস্ত করেন। আগরতলার শিবনগর থেকে শঙ্কর সাহা এসেছিলেন তার কন্যা সন্তানের চিকিৎসার সহায়তার জন্য। বাধারঘাট থেকে নারায়ণ বণিক এসেছিলেন তার স্ত্রীর কিডনিজনিত চিকিৎসার ও অন্যান্য সহায়তার জন্য। টাউন বড়দোয়ালি থেকে সুবল সাহা এসেছিলেন স্ত্রীর জটিল রোগের চিকিৎসা ও অন্যান্য সহায়তার জন্য। মুখ্যমন্ত্রী তাদের সমস্যার কথা শুনে সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন এবং অন্যান্য সহায়তার আশ্বাস দেন।
এছাড়াও আগরতলার রামনগর থেকে এসেছিলেন চন্দ্রকুমার দাস মেয়ের জটিল রোগের চিকিৎসার সাহায্যের জন্য। বাধারঘাট থেকে সুবল মিত্র এসেছিলেন ছেলের জটিল রোগের চিকিৎসার সহায়তার জন্য, বাঁশবাগান থেকে শান্তা দাস এসেছিলেন মেয়ের জটিল রোগের চিকিৎসার সহায়তার জন্য, নন্দননগর থেকে এসেছিলেন আব্দুল বারেক চৌধুরী ছেলের কিডনিজনিত চিকিৎসার সহায়তার জন্য, আমতলি থেকে এসেছিলেন বকুল রাণী দাস তার স্বামীর জটিল রোগের চিকিৎসার সাহায্যের আর্জি নিয়ে। মুখ্যমন্ত্রী তাদের সমস্যার কথা শুনেন এবং সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের দ্রুত চিকিৎসা ও অন্যান্য সহায়তার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।
এছাড়াও আগরতলার ইন্দ্রনগর থেকে এবং কৃষ্ণনগর থেকে কমল দাস ও বীণা ভট্টাচার্য্য এসেছিলেন নিজেদের জটিল রোগের চিকিৎসার সহায়তার আর্জি নিয়ে। মুখ্যমন্ত্রী তাদের কথা শুনে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা ও অন্যান্য সহায়তার আশ্বাস দেন। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে প্রয়াত দক্ষিণ নারায়ণপুরের সুভাষ মালাকার এবং বাধারঘাটের সঞ্জিত দাসের পত্নীদের হাতে মুখ্যমন্ত্রী আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিল থেকে এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
আজ মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষুতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর সচিব কিরণ গিত্তে, স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তা ডা. দেবাশ্রী দেববর্মা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জিবি হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপার ডা. বিধান গোস্বামী, আইজিএম হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপার ডা. নির্মল সরকার, অটল বিহারী বাজপেয়ী আঞ্চলিক ক্যান্সার হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপার ডা. শিরোমনি দেববর্মা ও অন্যান্য দপ্তরের আধিকারিকগণ।



















