আগরতলা, ২৬ আগস্ট: আগরতলা পশ্চিম থানায় এক নেশাসক্ত যুবকের তাণ্ডবকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ওই ঘটনাকে ঘিরে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও উঠছে নানা প্রশ্ন।
জানা গেছে, প্রতাপগড় এলাকার ওই যুবক কিছুদিন আগে একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিল। পরবর্তীতে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সে আগরতলা পশ্চিম থানায় এসে বসে পড়ে এবং নেশাজাতীয় সামগ্রী, বিশেষ করে ব্রাউন সুগারের দুইটি ‘কোটা’ দেওয়ার দাবি জানাতে থাকে বলে অভিযোগ।
দীর্ঘ সময় ধরে থানায় অবস্থান করে ওই যুবক নানা ধরনের আচরণ করতে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে থানার পক্ষ থেকে আগরতলা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যুবকটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
তবে অভিযোগ, দু’বার স্ট্রেচারে তোলার পরও ওই যুবক স্ট্রেচার থেকে নেমে যায় এবং হাসপাতালে যেতে অস্বীকার করে। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠছে, নেশাবিরোধী অভিযান চালানোর দাবি করা পুলিশের একটি থানার ভেতরেই কীভাবে একজন নেশাসক্ত যুবক নেশাজাতীয় সামগ্রী দাবি করে দীর্ঘ সময় অবস্থান করল?
আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, পরবর্তীতে থানার ভেতর থেকেই ওই যুবককে নেশাজাতীয় সামগ্রী দেওয়া হয়েছে। তবে এই অভিযোগের সত্যতা বা কথিত সামগ্রীর প্রকৃতি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এরপর ওই যুবক থানার সামনে থেকে স্বাভাবিকভাবে হেঁটে চলে যায়।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর পুলিশের নেশাবিরোধী অভিযান এবং থানার অভ্যন্তরের নিরাপত্তা ও নজরদারি ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে থানার ভেতর থেকে নেশাজাতীয় সামগ্রী দেওয়ার অভিযোগ সত্য হলে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। অভিযোগটির নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠছে বিভিন্ন মহলে।
।



















