News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • রাজ্যে ৬.৪৮ লক্ষেরও বেশি গ্রামীণ পরিবার নিরাপদ পানীয়জলের সুবিধা পাচ্ছে: মুখ্যমন্ত্রী
Image

রাজ্যে ৬.৪৮ লক্ষেরও বেশি গ্রামীণ পরিবার নিরাপদ পানীয়জলের সুবিধা পাচ্ছে: মুখ্যমন্ত্রী



নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৯ এপ্রিল: ত্রিপুরায় জল সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও সর্বজনীন করার লক্ষ্যে জল জীবন মিশন (জে.জে.এম) ২.০-র অধীনে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে মৌ স্বাক্ষর প্রদান অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে আজ আগরতলায় মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের ওয়ার রুমে এক ভার্চুয়াল কর্মসূচি আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি কেন্দ্রীয় জলশক্তি মিশনের মন্ত্রী সি.আর, পাটিল, কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ভি. সোমান্না, মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা) মানিক সাহা সহ কেন্দ্র ও রাজ্যের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কেন্দ্রীয় পানীয়জল ও স্যানিটেশন দপ্তরের সচিব তথা জলশক্তি মিশনের সঙ্গে যুক্ত অশোক কে. মিনা আজকের কর্মসূচির উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি জল জীবন মিশন ২.০-এর লক্ষ্য কর্মপদ্ধতি এবং রাজ্যগুলির সঙ্গে সমন্বয়ের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সিআর, পাটিল ত্রিপুরা সরকারের জল জীবন মিশনের কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, রাজ্যে পাইপলাইনের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি বিশেষ করে প্রান্তিক অঞ্চলে জল পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে বর্তমান ত্রিপুরা সরকারের বিরাট ইতিবাচক ভূমিকা রয়েছে। ইতিমধ্যেই বিরাট শতাংশের কাজ সম্পন্ন হয়েছে, যা সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি বাকি কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার উপর বিশেষ জোর দেন এবং কাজের গতি আরও বৃদ্ধি করার জন্য আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশ প্রদান করেন। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন জল জীবন মিশনের সফল বাস্তবায়ন দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা কেন্দ্রীয় সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, জল জীবন মিশন ২.০-এর সময়সীমা ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজ্যের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি আরও গতিশীল হবে। আজকের এই মৌ স্বাক্ষর কর্মসূচি কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে সহযোগিতার এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ত্রিপুরায় ৮৬.৩৪ শতাংশ পরিবারকে ফাংশনাল হাউসহোল্ড ট্যাপ কানেকশন (এফ.এইচ.টি.সি.)-এর আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে এবং ৬.৪৮ লক্ষেরও বেশি গ্রামীণ পরিবার ইতিমধ্যেই নিরাপদ পানীয়জলের সুবিধা পাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন জল জীবন মিশন শুরু হওয়ার আগে এই সংখ্যা ছিলো অত্যন্ত কম, যা এখন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজ্যে ১৩১টি গ্রাম এবং ৪,৭১১টি বসতিকে শতভাগ এফ.এইচ.টি.সি-র আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি ৪,৩১৯টি বিদ্যালয়ে এবং ৮,৫৮৫টি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পাইপলাইনের মাধ্যমে জল সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি সুজলম ভারত কর্মসূচি, জল অর্পণ দিবস, জল সেবা আঙ্কলন কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের কথাও উল্লেখ করেন। উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি মৌ স্বাক্ষরের নথিপত্র হস্তান্তর করা হয়। এই উদ্যোগ ত্রিপুরার জল সরবরাহ ব্যবস্থাকেও আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মুখ্যমন্ত্রী আশা ব্যক্ত করেন।

Releated Posts

বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, খোলা থাকছে স্কুল-কলেজ: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ২৯ এপ্রিল: বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে,…

ByByTaniya Chakraborty Apr 29, 2026

অবসরপ্রাপ্ত হোমগার্ডদের ভাতা বৃদ্ধির দাবি, পুলিশ মহা নির্দেশকের দ্বারস্থ প্রতিনিধি দল

আগরতলা, ২৯ এপ্রিল: দীর্ঘ বছর পুলিশের সঙ্গে কাজ করার পরও বর্তমানে চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত…

ByByReshmi Debnath Apr 29, 2026

বৃষ্টিতে আগরতলা-খোয়াই জাতীয় সড়কের বেহাল দশা, ড্রজার দিয়ে পারাপার যানবাহন

আগরতলা, ২৯ এপ্রিল : টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত আগরতলা-খোয়াই জাতীয় সড়ক। সড়কের একাধিক অংশে জল জমে ও কাদায় পরিণত…

ByByTaniya Chakraborty Apr 29, 2026

কালবৈশাখীর পর অন্ধকারে শান্তিরবাজার, বিদ্যুৎ দপ্তরের গাফিলতিতে ক্ষোভ বাসিন্দাদের

আগরতলা, ২৯ এপ্রিল: কালবৈশাখীর তাণ্ডবের জেরে বিদ্যুৎ পরিষেবা ভেঙে পড়েছে শান্তিরবাজারের বিস্তীর্ণ এলাকায়। একাধিক জায়গায় এখনও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন…

ByByTaniya Chakraborty Apr 29, 2026

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top