News Flash

  • Home
  • দেশ
  • বঙ্গের ২০২৬ বিধানসভা ভোট: সংবেদনশীলতা মানচিত্রের ভিত্তিতে জেলায় জেলায় পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করবে নির্বাচন কমিশন
Image

বঙ্গের ২০২৬ বিধানসভা ভোট: সংবেদনশীলতা মানচিত্রের ভিত্তিতে জেলায় জেলায় পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করবে নির্বাচন কমিশন

কলকাতা, ১৩ মার্চ : পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জেলায় জেলায় পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই)। এ ক্ষেত্রে জেলা ভিত্তিক ‘সেনসিটিভিটি ম্যাপিং’ বা সংবেদনশীলতা মানচিত্র তৈরির উপরই নির্ভর করবে কমিশনের সিদ্ধান্ত।

রাজ্যের প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা (সিইও) দফতরের একটি সূত্র জানিয়েছে, জেলা ভিত্তিক সংবেদনশীলতা নির্ধারণে কমিশন তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছে।

প্রথমত, যে জেলাগুলির আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে বাংলাদেশ-এর সঙ্গে। দ্বিতীয়ত, গত তিনটি নির্বাচনে ভোটের আগে, চলাকালীন বা পরে বড় ধরনের রাজনৈতিক হিংসার ইতিহাস রয়েছে এমন জেলা। তৃতীয়ত, যে জেলাগুলিতে এই দুই ধরনের কারণই একসঙ্গে প্রযোজ্য।

সিইও দফতরের ওই সূত্রের মতে, মুর্শিদাবাদ, মালদা এবং কোচবিহার এই তৃতীয় শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ এই জেলাগুলির একদিকে যেমন বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে, তেমনই অতীতে ভোটকে ঘিরে বড় ধরনের হিংসার নজিরও রয়েছে।

অন্যদিকে হাওড়া-এর মতো জেলা দ্বিতীয় শ্রেণির উদাহরণ, যেখানে আন্তর্জাতিক সীমান্ত না থাকলেও অতীতে রাজনৈতিক হিংসার একাধিক ঘটনা ঘটেছে।

এই পরিস্থিতিতে সব শ্রেণির জেলাতেই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের সংখ্যা বাড়ানোর কথা ভাবছে নির্বাচন কমিশন, বিশেষ করে পুলিশ পর্যবেক্ষকের সংখ্যা।

২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে কমিশন মোট ১৭০ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক, ৮৪ জন ব্যয় পর্যবেক্ষক এবং ৩৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছিল।

তবে এবার এই সংখ্যায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হতে পারে। সিইও দফতরের সূত্রের দাবি, দিল্লিতে কমিশনের সদর দফতর ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছে যে তিন ধরনের পর্যবেক্ষকের সংখ্যাই বাড়ানো হবে, বিশেষ করে পুলিশ পর্যবেক্ষকের সংখ্যা।

সূত্রের দাবি, এবার পশ্চিমবঙ্গের জন্য অন্তত ১০০ জন বা তারও বেশি পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হতে পারে, যা ২০২১ সালের তুলনায় প্রায় তিন গুণ।

এবার পুলিশ পর্যবেক্ষকদের ক্ষমতাও আরও বাড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে ভোটের সময় কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (সিএপিএফ)-এর চলাচল নির্ধারণের ক্ষেত্রে তাঁদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে।

আগের নির্বাচনে আদর্শ আচরণবিধি চালু থাকাকালীন সিএপিএফ মোতায়েন ও চলাচলের সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব ছিল জেলা শাসকদের উপর, যাঁরা একই সঙ্গে জেলা নির্বাচন আধিকারিক হিসেবেও কাজ করেন।

তবে এবার কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট জেলায় সিএপিএফ-এর চলাচল নির্ধারণ করবেন ইসিআই নিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষকরাই। একই সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় বাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নির্ধারণ করতে জেলা ভিত্তিক যৌথ দলও গঠন করা হবে এবং এ বিষয়ে পুলিশ পর্যবেক্ষকদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

Releated Posts

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে পুরনো খুনের মামলায় কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান গ্রেফতার

কলকাতা, ১৮ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে শুক্রবার একটি পুরনো মামলায়…

ByBySandeep Biswas Sep 18, 2026

নয়ডার পোশাক কারখানায় ভয়াবহ আগুন, ঘটনাস্থলে ৮টি দমকলের ইঞ্জিন

নয়ডা, ১৮ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): নয়ডার সেক্টর ৬৩ এলাকায় একটি পোশাক কারখানার চারতলায় শুক্রবার ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘটনায় এলাকায়…

ByBySandeep Biswas Sep 18, 2026

ভারতে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের ভিত্তি তৈরি হয়েছে, এবার বৃদ্ধির সময়: অশ্বিনী বৈষ্ণব

নয়াদিল্লি, ১৭ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): ভারতে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের ভিত্তি তৈরি হয়ে গিয়েছে এবং এবার এই শিল্পকে আরও দ্রুত এগিয়ে…

ByByNews Desk Sep 17, 2026

‘ভাদনগর থেকে বারাণসী যাত্রা’ তরুণ প্রজন্মকে মোদির জনজীবনের সঙ্গে পরিচিত করানোর উদ্যোগ: অমিত শাহ

ভাদনগর, ১৭ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৬তম জন্মদিন এবং জনজীবনে ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে শুরু হওয়া…

ByByNews Desk Sep 17, 2026
Scroll to Top