মুম্বই, ৬ মার্চ (আইএএনএস) :শিল্পপতি অনিল আম্বানির সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। শুক্রবার মুম্বইয়ের একাধিক স্থানে এই অভিযান চালানো হয় বলে সংস্থার সূত্রে জানা গেছে।
সূত্রের খবর, আর্থিক রাজধানী মুম্বইয়ে প্রায় ১০ থেকে ১২টি স্থানে একযোগে এই তল্লাশি চালানো হয়। প্রায় ১৫টি বিশেষায়িত ইডি দল শুক্রবার ভোর থেকেই অভিযান শুরু করে। তল্লাশি চালানো হয় রিলায়েন্স পাওয়ার-এর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তির নিবন্ধিত কার্যালয় ও আবাসস্থলে।
ইডি সূত্রে জানা গেছে, রিলায়েন্স পাওয়ার-এর আর্থিক লেনদেন ও সন্দেহজনক তহবিল স্থানান্তর সংক্রান্ত একটি তদন্তের অংশ হিসেবেই এই তল্লাশি অভিযান চলছে। তবে শুক্রবারের অভিযানের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনও বিবৃতি দেয়নি ইডি।
এর আগে রিলায়েন্স কমিউনিকেশন্সের ব্যাংক জালিয়াতি মামলায় অনিল আম্বানির মুম্বইয়ের পালি হিল এলাকার বিলাসবহুল আবাসিক সম্পত্তি ‘অ্যাবোড’ অস্থায়ীভাবে সংযুক্ত (অ্যাটাচ) করে ইডি। সম্পত্তিটির মূল্য প্রায় ৩ হাজার ৭১৬ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকা বলে জানানো হয়।
ইডির সদর দফতরের বিশেষ টাস্ক ফোর্স অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন, ২০০২ (পিএমএলএ)-এর অধীনে এই সম্পত্তি সংযুক্ত করে। এর আগে একই সম্পত্তির ৪৭৩ কোটি ১৭ লক্ষ টাকার অংশও সংযুক্ত করা হয়েছিল।
এদিকে গত মাসে সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)ও অনিল আম্বানির বাসভবন এবং রিলায়েন্স কমিউনিকেশন্সের বিভিন্ন দফতরে তল্লাশি চালায়। ব্যাঙ্ক অব বরোদার অভিযোগের ভিত্তিতে কোম্পানির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ব্যাঙ্ক অব বরোদার প্রায় ২ হাজার ২২০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে রিলায়েন্স কমিউনিকেশন্সকে দেওয়া ঋণের কারণে। তদন্তকারীদের দাবি, ওই ঋণের অর্থ ভুয়ো লেনদেন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয় এবং হিসাবপত্রে কারচুপি করে অনিয়ম আড়াল করা হয়।
মামলা দায়েরের পর সিবিআই তল্লাশি চালিয়ে ঋণ সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করেছে বলেও জানানো হয়েছে।ো

