News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • আগামী প্রজন্মকে সত্যিকারের মানুষ হিসেবে তৈরি করতে এনজিওগুলিকে বিশেষ ভূমিকা নিতে হবে: মুখ্যমন্ত্রী
Image

আগামী প্রজন্মকে সত্যিকারের মানুষ হিসেবে তৈরি করতে এনজিওগুলিকে বিশেষ ভূমিকা নিতে হবে: মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ৬ ফেব্রুয়ারি: আগামী প্রজন্মকে সত্যিকারের মানুষ হিসেবে তৈরি করতে বিশেষ ভূমিকা নিতে হবে এনজিওগুলিকে। সমাজের জন্য কাজ করতে ছেলেমেয়েদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে। আর রাজনীতি না করেও বিভিন্নভাবে সামাজিক কাজ করা যায়। আজ আগরতলায় জনজাতি অংশের এনজিওগুলির প্রতিনিধিদের নিয়ে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা।

বৈঠকে পৌরহিত্য করে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, এখানে অংশ নিতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্যরা যেভাবে মানুষের জন্য কাজ করছেন সেটা খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আপনারা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য কাজ করছেন। সরকার সাধ্যের মধ্যে থেকে ও নিয়ম কানুনের মধ্যে থেকে আপনাদের সহায়তা করবে। আপনারা যেসব দাবি উত্থাপন করেছেন এনিয়ে জনজাতি কল্যাণ মন্ত্রী ও আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলবো। বিভিন্ন হোস্টেলে থাকা ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের লালন পালনে যাতে কোন খামতি না থাকে সেবিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে আপনাদের। এক্ষেত্রে সরকার সবসময় আপনাদের পাশে থাকবে। ছেলেমেয়েদের অর্থাৎ আগামী প্রজন্মকে সত্যিকারের মানুষ হিসেবে তৈরি করতে আপনাদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। আপনারা তাদের একটা প্ল্যাটফর্ম দিয়েছেন। ওই সময়টাতে ছেলেমেয়েদের যথাযথ শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে শিক্ষাদান করতে হবে। তাদের মধ্যে সামাজিক চিন্তাভাবনা জাগিয়ে তুলতে হবে।

আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সমাজের জন্য কাজ করাটা একটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই ছেলেমেয়েদেরকেও সেভাবে গড়ে তুলতে হবে এবং শিক্ষা দিতে হবে। আমাদের দেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও জনজাতি অংশের। সেই জায়গায় দায়িত্ব সহকারে তিনি এখন দেশের কল্যাণের জন্য কাজ করছেন। রাজনীতি না করেও বিভিন্নভাবে সামাজিক কাজ করা যায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০৪৭ এ বিকশিত ভারত এর কথা বলছেন। আর আজকের যারা ছাত্রছাত্রী তারাই কিন্তু বিকশিত ভারত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা নিতে পারবে এবং এর সুফল পাবে। তাই সমাজের জন্য তাদেরও বিশেষ দায়দায়িত্ব রয়েছে। জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর স্বচ্ছ ভারত গড়ে তোলার স্বপ্ন এখন বাস্তবায়িত করছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু সেই কাজ কারোর একার নয়। রাস্তাঘাটের নোংরা আবর্জনা নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলার দায়িত্ব সকলের।


মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা আরো বলেন, শিক্ষা একটা সেতুর মতো। অন্ধকার থেকে আলোর দিকে উত্তরণে সেতু হিসেবে কাজ করে শিক্ষা। জ্ঞান আর অজ্ঞানতার মাঝখানে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে শিক্ষা। এভাবে সত্য ও মিথ্যার মাঝখানেও রয়েছে সঠিক শিক্ষা। আর ছাত্রছাত্রী বা ছেলেমেয়েদের মধ্যে মূল্যবোধের শিক্ষা দেওয়াটাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আজ সারা ভারতবর্ষে প্রায় ৭০০ এর মতো জনজাতি গোষ্ঠী রয়েছে। এরমধ্যে ত্রিপুরায় স্বীকৃত জনজাতি গোষ্ঠীর সংখ্যা ১৯টি। এছাড়াও আরো অনেক উপ গোষ্ঠী রয়েছে।

এদিন বৈঠকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এনজিওগুলির প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন। গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে এনজিওর প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মূল্যবান পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা।

Releated Posts

ত্রিপুরায় চিকিৎসা শিক্ষায় নতুন মাইলফলক, এজিএমসিতে আরও ১০০ এমবিবিএস আসন অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২১ সেপ্টেম্বর: ত্রিপুরায় চিকিৎসা শিক্ষার ক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জিত হল। আগরতলা সরকারি মেডিকেল কলেজের…

ByByReshmi Debnath Sep 21, 2026

ইউআর আসনে সংরক্ষিত প্রার্থী কেন? জিএনএম কাউন্সেলিং ঘিরে তীব্র বিতর্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২১ সেপ্টেম্বর: চাকরি ও শিক্ষাক্ষেত্রে সংরক্ষণ ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে যখন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যুবসমাজের মধ্যে নানা…

ByByReshmi Debnath Sep 21, 2026

দুর্গাপূজা এবং মায়ের গমন অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব দপ্তরকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২১ সেপ্টেম্বর: আগামী ২৩ অক্টোবর আগরতলায় অনুষ্ঠিত হবে এবছরের মায়ের গমন অনুষ্ঠান। গত বছরের মতো…

ByByReshmi Debnath Sep 21, 2026

(update)জিবিপি হাসপাতালে নতুন আইসিইউ এবং সিএসএসডি ইউনিটের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ২১ সেপ্টেম্বর: রাজ্যের জনগণের জন্য উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা সুনিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করে চলেছে।…

ByByReshmi Debnath Sep 21, 2026
Scroll to Top