আগরতলা, ৯ সেপ্টেম্বর : দুর্গোৎসবের আনন্দে এবারও সামিল হতে চলেছে পদ্মার ইলিশ। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার এবছর ভারতে ১,২০০ টন ইলিশ রফতানির অনুমতি দিয়েছে। যদিও বরাদ্দ পদ্মার ইলিশ রফতানি গত বছরের তুলনায় প্রায় অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে ইউনূস সরকার।
গতকাল বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, আসন্ন দুর্গাপুজো উপলক্ষে এবছর ১২০০ টন ইলিশ ভারতে রপ্তানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রপ্তানির জন্য বেশ কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর অফিস চলাকালীন হার্ড কপিতে আবেদন করতে পারবেন আগ্রহী রপ্তানিকারকরা। আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের নথি, ট্রেড লাইসেন্স, ইআরসি, আয়কর সার্টিফিকেট, ভ্যাট সার্টিফিকেট, বিক্রয় চুক্তিপত্র, মৎস্য অধিদপ্তরের লাইসেন্স-সহ আবেদন জানাতে পারবেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আদেশে আরও বলা হয়েছে, প্রতি কেজি ইলিশের ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য সাড়ে ১২ মার্কিন ডলার (ভারতীয় মূল্যে ১০০০ টাকার বেশি) নির্ধারণ করেছে সরকার। কিন্তু গতবছরের তুলনায় বরাদ্দ পদ্মার ইলিশ রফতানি প্রায় অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে ইউনূস সরকার। প্রসঙ্গত, গত বছরের পুজোর মরশুমে বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রক প্রথমে প্রায় ৩,০০০ টন ইলিশ ভারতে রফতানির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু পরে তা কমিয়ে ২,৪২০ টন ইলিশ ভারতে পাঠানোর অনুমতি দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। এ বার তা আরও কমিয়ে ১,২০০ টন রফতানির অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। প্রতি কেজি ইলিশ ন্যূনতম সাড়ে ১২ ডলারে রফতানি করা যাবে।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত বাংলাদেশের জাতীয় রফতানি নীতি (২০১৫-১৮) অনুসারে, শর্তসাপেক্ষে রফতানি পণ্যের তালিকায় রয়েছে ইলিশ। তবে বিদেশে ইলিশ রফতানির প্রথম অনুমতি দেওয়া হয় ২০১৯ সালে। তখন থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত পুজোর সময়ে ভারতে ইলিশ পাঠানো হত। শেখ হাসিনার সরকার ইলিশ রফতানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও দুর্গাপুজোর সময়ে ভারতে ইলিশ রফতানি হয়ে আসছে গত বেশ কয়েক বছর ধরে।



















