News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন অমূলক, নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট বক্তব্য
Image

মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন অমূলক, নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট বক্তব্য

আগরতলা, ২২ এপ্রিল : ভারতের নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের সময় সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত ৬,৪০,৮৭,৫৮৮ জন নির্বাচক ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটদান করে। প্রতি ঘন্টায় গড়ে ৫৮ লক্ষ ভোট পড়ে। এই গড় অনুপাত হিসেব করলে গত দুই ঘণ্টায় প্রায় ১১৬ লক্ষ নির্বাচক ভোটদান করতে পারতেন। তাই দুই ঘণ্টায় ৬৫ লক্ষ নির্বাচকের ভোটদান উল্লিখিত গড় ভোটদানের তুলনায় অনেক কম। গত ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ আইএন.সি.-কে দেওয়া জবাবে নির্বাচন কমিশন এই তথ্য পেশ করে, যা নাকি কমিশনের ওয়েবসাইটেও দেওয়া হয়েছে। তাই বারবার এসব প্রশ্ন তোলা মানে এসব তথ্যকে উপেক্ষা করা হচ্ছে বলে মনে করে নির্বাচন কমিশন।

তাছাড়া, প্রতিটি পোলিং বুথে প্রার্থী রাজনৈতিক দলগুলির নিযুক্ত পোলিং এজেন্টের সামনেই ভোটদান প্রক্রিয়া চলে। পরবর্তী দিন আইএন.সি.-এর নিযুক্ত প্রার্থী বা এজেন্টরাও ক্রুটিনির সময় রিটার্নিং অফিসারের কাছে নির্দিষ্ট তথ্য সম্বলিত কোনও অভিযোগ দায়ের করেনি।

মহারাষ্ট্র সহ সারা ভারতে জনপ্রতিনিধিত্ব আইন ১৯৫০ এবং নির্বাচক নিবন্ধন আইন ১৯৬০ অনুযায়ী ভোটার তালিকা তৈরি করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি নির্বাচনের আগে কিংবা প্রতিবছর একবার ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনী হাতে নেওয়া হয় এবং ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস সহ সমস্ত জাতীয় স্তরের। রাজ্য স্তরের রাজনৈতিক দলগুলির কাছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা তুলে দেওয়া হয়।

মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের সময় ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার পর ৯,৭৭,৯০,৭৫২ জন নির্বাচকের নিরিখে ১ম অ্যাপিলেট অথরিটির (ডি.এম.) কাছে একমাত্র ৮৯টি আবেদন জমা পড়ে এবং ১টি আবেদন জমা পড়ে ২য় অ্যাপিলেট অথরিটির (সি.ই.ও.) কাছে। তাই এটা পরিষ্কার যে, ২০২৪-এর মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে আই.এন.সি. বা অন্য কোনও রাজনৈতিক দলের তেমন কোনও অভিযোগ ছিলো না।

ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় ১,০০,৪২৭টি পোলিং বুথের জন্য ইআর.ও.-গণ ৯৭,৩২৫ জন বি.এল.ও. নিযুক্ত করেছিলেন। রাজনৈতিক দলগুলি ১,০৩,৭২৭ জন বুথ লেভেল এজেন্ট নিয়োগ করে। তারমধ্যে শুধুমাত্র আইএন.সি, নিয়োগ করেছিলো ২৭,০৯৯ জন এজেন্ট। তাই মহারাষ্ট্রের নির্বাচক তালিকা সম্পর্কিত এসব অযৌক্তিক অভিযোগ আইন অবমাননার সমতুল্য।

ভারতের সমস্ত নির্বাচনই আইন অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয়। যে আকারে এবং নির্ভুলতার সাথে এখানে নির্বাচন সম্পন্ন হয় তা সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়ে আসছে। দেশে সবাই জানে যে, প্রতিটি নির্বাচন প্রক্রিয়া, সে ভোটার তালিকা তৈরি করা হোক বা ভোটদান ও গণনা পর্বই হোক, সবকিছুই সম্পন্ন হয় সরকারি কর্মচারীদের মাধ্যমে এবং ভোটগ্রহণ কেন্দ্র থেকে নির্বাচন ক্ষেত্র পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলি দ্বারা নিযুক্ত প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে।

তাই কোনও ব্যক্তি দ্বারা এব্যাপারে ভুল তথ্য প্রচার মানে হচ্ছে আইনের অবমাননা। শুধু তাই নয়, তাদের নিজেদের রাজনৈতিক দল দ্বারা নিযুক্ত হাজার হাজার প্রতিনিধিদের প্রতিও অসম্মান প্রদর্শন করার সামিল। তাছাড়া নির্বাচনের সময় যে লক্ষ লক্ষ নির্বাচন কর্মী অক্লান্তভাবে এবং স্বচ্ছতার সাথে কাজ করেন এসব উক্তি তাদেরও হতাশ করবে।

Releated Posts

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে কংগ্রেসের গণ অবস্থান

আগরতলা, ১ অক্টোবর: ভোট চুরি, গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করার অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার…

ByByTaniya Chakraborty Oct 1, 2026

নাবালিকাকে চার মাস চাইল্ড কেয়ার হোমে আটকে রাখার অভিযোগ, বাবা-মায়ের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ উচ্চ আদালতের

আগরতলা, ৩০ সেপ্টেম্বর: গণ্ডাছড়ার এক নাবালিকাকে প্রায় চার মাস ধরে বেআইনিভাবে চাইল্ড কেয়ার হোমে আটকে রাখার অভিযোগে হস্তক্ষেপ…

ByByReshmi Debnath Sep 30, 2026

ভোপাল বিমানবন্দরে বিপ্লব কুমার দেবকে স্বাগত জানালেন বিজেপি নেতৃত্ব

আগরতলা, ৩০ সেপ্টেম্বর: মধ্যপ্রদেশ সফরে গিয়ে ভোপাল বিমানবন্দরে পৌঁছালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব।…

ByByReshmi Debnath Sep 30, 2026

দুর্ঘটনাগ্রস্তদের জীবন বাঁচিয়ে ‘রাহবীর’ সম্মান পেলেন ৮ জন

আগরতলা, ৩০ সেপ্টেম্বর: সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দিয়ে জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী আটজন ‘রাহবীর’…

ByByTaniya Chakraborty Sep 30, 2026
Scroll to Top