কলকাতা, ২৩ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : ভাদ্র মাস পেরিয়ে আশ্বিনের প্রথম সপ্তাহে তিতিবিরক্ত মানুষ। শরৎকালে গরমের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যবাসীর কাহিল দশা। বেকায়দায় পড়ে শিশুদের অবস্থাও বেহাল। এককথায় গলদঘর্ম পরিস্থিতি। এহেন সময়কালে ছোটদের নিয়মিত রুটিন মাফিক স্কুলে যাতায়াত বেশ সমস্যা সঙ্কুল পরিস্থিতির মধ্যেই কাটছে। অত্যধিক গরমের ফলে বিরক্তির পরিবেশ। এদিকে, ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি নেই। কাজেই পড়ুয়াদের বাঁচাতে কলম ধরেছেন জনপ্রতিনিধি তথা বিধায়ক। ডঃ শঙ্কর ঘোষ চিঠি লিখেছেন শিক্ষা মন্ত্রীকে এবং হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। এই মুহূর্তে আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে গরম বজায় থাকবে। উত্তরবঙ্গের মত এলাকায় দক্ষিণবঙ্গের চেয়ে ঠান্ডা তুলনায় বেশি। পড়ুয়াদের যদিও এই মুহূর্তে স্কুলে যেতে নাভিশ্বাস অবস্থা। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্কুল ও উচ্চ শিক্ষামন্ত্রীর কাছে দরবার। স্কুলে যাওয়ার সময়সীমা অবিলম্বে বদল করা হোক। অন্ততঃ পক্ষে শারদ উৎসবের ছুটি পড়ে যাওয়ার আগেই বাকি দিনগুলিতে। এ রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু’কে এই নিয়ে চিঠি লিখেছেন বিজেপির মুখ্য সচেতক ও শিলিগুড়ির বিধায়ক ডঃ শঙ্কর ঘোষ। সোমবার লেখা ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, স্কুলের বাচ্চারা এই গরমে কাহিল। অবিলম্বে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি’তে সাম্প্রতিক এই সমস্যা খতিয়ে দেখা দরকার। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের এই ছবি বর্তমান সময়ে বদলে গেছে। হিট ওয়েভ চলছে। স্কুলের সময় বদলের দাবিতেই সোচ্চার পড়ুয়াদের তরফে অভিভাবকবৃন্দ। মিলিতভাবে ওই দাবি জানানো হয়েছে। তাঁর আশা, রাজ্য সরকার বিবেচনা করবে বিষয়টি। বর্তমান সময়সীমা রদবদল করার আর্জি রয়েছে তাঁর লেখা ওই চিঠিতে। তিনি জানিয়েছেন – সকালের দিকে স্কুলে যোগদানের সময় আটটা থেকে এগারোটা করা হোক। উল্লেখ্য, গরমের ফলে প্রদাহ কমছে না। প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেই শিশুদের স্কুলে নিতান্তই বাধ্য হয়েই যেতে হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের জন্য এই বিশেষ অনুরোধ রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা দরকার রয়েছে বলে ওই চিঠিতে আরো সংযোজন করা হয়।



















