শিশু সুরক্ষায় ‘সুরক্ষিত শৈশব সোনালি অসম’ শীর্ষক অনুষ্ঠান হাফলঙে

হাফলং (অসম),২২ আগস্ট (হি.স.) : ‘সুরক্ষিত শৈশব সোনালি অসম’ শীর্ষক শিশু সুরক্ষার ওপর সচেতনতা বৃদ্ধি করতে আজ মঙ্গলবার ডিমা হাসাও জেলা সদর শহর হাফলঙে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাল্যবিবাহের মতো ঘটনা শিশুশ্রম ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ক্রমে বেড়েই চলছে। তা রোধ করতে রাজ্যের শিশু সুরক্ষা সোসাইটির সদস্যসচিবের নির্দেশে শিশু সুরক্ষার ওপর বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে এক মিছিল ও সচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে হাফলং জেলা গ্রন্থাগার প্রেক্ষাগৃহে।

জেলা শিশু সুরক্ষা ইউনিট, ডিমা হাসাও জেলা প্রশাসন, জেলা আইনি সহায়তা সেল, বিভিন্ন এনজিও ও সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় হাফলঙে জেলাশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শহরের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে এক মিছিল উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদের মহাত্মা গান্ধীর মূর্তির পাদদেশ হয়ে জেলা গ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। এদিন এই মিছিলের ফ্ল্যাগ অফ করেন জেলাশাসক সীমান্তকুমার দাস। মিছিল শেষে শিশু সুরক্ষার ওপর সচেতনা বৃদ্ধি করতে জেলা গ্রন্থাগার প্রেক্ষাগৃহে এক সচেতনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা সমাজ কল্যাণ বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর তথা জেলা শিশু সুরক্ষা ইউনিটের সদস্য রাজদ্বীপ কেম্প্রাই সাংবাদিকদের বলেন, রাজ্যের শিশু সুরক্ষা সোসাইটির সদস্যসচিবের নির্দেশে ডিমা হাসাও জেলায় শিশু সুরক্ষার ওপর সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে পাহাড়ি জেলার পাঁচটি ব্লকে শিশু সুরক্ষা নিয়ে সচেতনা বৃদ্ধি করতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, শিশু সুরক্ষা নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এ ধরনের অনুষ্ঠান ৯০ দিন অনুষ্ঠিত হবে। বিশেষ করে বাল্যবিবাহের মতো ঘটনা শিশুশ্রম ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা রোধ করতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

রাজদ্বীপ কেম্প্রাই বলেন, যেভাবে ক্রমশ শিশুশ্রম ও শিশু নির্যাতনের মতো ঘটনা বেড়ে চলছে তা রোধ করতে প্রত্যেকের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে। কেম্প্রাই বলেন, ডিমা হাসাও জেলায় শিশু শ্রমের ঘটনা তেমন না ঘটলেও বাল্য বিবাহ নিয়ে ইতিমধ্যে মোট ২৪টি মামলা হয়েছে।